শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গীতা - ১৫শ পর্ব

  এই সূত্রে - "  ঈশোপনিষদ 

এই সূত্র থেকে শুরু - " কঠোপনিষদ - ১/১ "

এই সূত্র থেকে শুরু - " কেনোপনিষদ - খণ্ড ১ ও ২ " 

এই সূত্র থেকে শুরু - " শ্রীশ্রী চণ্ডী - পর্ব ১ " 

এই সূত্র থেকে শুরু - " গীতা - ১ম পর্ব "



এর আগের চতুর্দশ অধ্যায়ঃ গুণত্রয়বিভাগযোগ পাশের সূত্রে গীতা - ১৪শ পর্ব "


পঞ্চদশ অধ্যায়ঃ পুরুষোত্তমযোগ


শ্রীভগবানুবাচ

ঊর্ধ্বমূলমধঃশাখমশ্বত্থং প্রাহুরব্যয়ম্‌।

ছন্দাংসি যস্য পর্ণানি যস্তং বেদ স বেদবিৎ।।

শ্রীভগবান্‌ উবাচ

ঊর্ধ্ব-মূলম্‌-অধঃশাখম্‌-অশ্বত্থং প্রাহুঃ অব্যয়ম্‌।

ছন্দাংসি যস্য পর্ণানি যঃ তং বেদ স বেদবিৎ।।

শ্রীভগবান বললেন- জ্ঞানীজনেরা বলেন এই সংসার যেন একটি অক্ষয় অশ্বত্থ বৃক্ষ, যার ঊর্ধে শিকড় আর নীচেয় শাখা প্রশাখা, চারবেদ যেন এই বৃক্ষের পাতা। এই বৃক্ষটির স্বরূপ যিনি বোঝেন, তিনিই বেদজ্ঞ।

[অশ্বত্থ কথার মূল অর্থ যা কাল পর্যন্ত থাকে না, অর্থাৎ ক্ষণস্থায়ী। ইহলোকে সংসারে জন্ম ও মৃত্যুর মধ্যে আবদ্ধ ক্ষণস্থায়ী জীবনের নিরন্তর জীবন চক্রকেই অক্ষয় অশ্বত্থ বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।]

[এই শ্লোকটির অনুরূপ শ্লোক পাওয়া যায় কঠোপনিষদের দ্বিতীয় অধ্যায়ের তৃতীয় বল্লীর প্রথমেই। ধর্মরাজ যম সেখানে অশ্বত্থ বৃক্ষকে সনাতন বলেছেন, এখানে ভগবান কৃষ্ণ বলেছেন অব্যয়। বাকি বক্তব্য প্রায় একই। কঠোপনিষদের ওই পর্বটি এই সূত্র থেকে পড়ে নিতে পারেন - কঠোপনিষদ - ২/৩ (শেষ পর্ব)। এই কারণেই পণ্ডিতেরা বলেন, গীতা হল সকল উপনিষদের সারাংশ - অতএব আমাদের সনাতন ধর্মের মূল-তত্ত্বকথাগুলি এক গীতার মধ্যেই যেন বিধৃত।]     

 

অধশ্চোর্ধ্বং প্রসৃতাস্তস্য শাখা গুণপ্রবৃদ্ধা বিষয়প্রবালাঃ।

অধশ্চ মূলান্যনুসন্ততানি কর্মানুবন্ধীনি মনুষ্যলোকে।।

অধঃ চ ঊর্ধ্বং প্রসৃতাঃ তস্য শাখা গুণপ্রবৃদ্ধা বিষয়-প্রবালাঃ।

অধঃ চ মূলানি অনুসন্ততানি কর্ম-অনুবন্ধীনি মনুষ্যলোকে।।

এই বৃক্ষের শাখা প্রশাখা ত্রিগুণের প্রভাবে বেড়ে উঠে বিষয়রূপ পল্লব হয়ে নীচের থেকে উপর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। আবার ঊর্ধের মূলসমূহ মানুষের সুকর্ম এবং কুকর্মের ফলস্বরূপ নীচের দিকেও প্রসারিত হয়ে থাকে।

 

৩,৪

ন রূপমস্যেহ তথোপলভ্যতে

নান্তো ন চার্দিন চ সম্প্রতিষ্ঠা।

অশ্বত্থমেনং সুবিরূঢ়মূলমসঙ্গশস্ত্রেণ দৃঢ়েন ছিত্ত্বা।।

ততঃ পদং তৎ পরিমার্গিতব্যং

যস্মিন্‌ গতা ন নিবর্তন্তি ভূয়ঃ।

তমেব চাদ্যং পুরুষং প্রপদ্যে

যতঃ প্রবৃত্তিঃ প্রসৃতা পুরাণী।।

ন রূপম্‌ অস্য ইহ তথা উপলভ্যতে

ন অন্ত ন চ আদিঃ ন চ সম্প্রতিষ্ঠা।

অশ্বত্থম্‌ এনং সুবিরূঢ়মূলম্‌ অসঙ্গ-শস্ত্রেণ দৃঢ়েন ছিত্ত্বা।। ৩

ততঃ পদং তৎ পরিমার্গিতব্যং

যস্মিন্‌ গতা ন নিবর্তন্তি ভূয়ঃ।

তম্‌ এব চ আদ্যং পুরুষং প্রপদ্যে

যতঃ প্রবৃত্তিঃ প্রসৃতা পুরাণী।। ৪

ইহলোকে সংসাররূপ এই অশ্বত্থের রূপ সঠিক উপলব্ধি করা যায় না, কারণ এই বৃক্ষের শেষ নেই, শুরু নেই, এমনকি মধ্যবর্তী স্থিতাবস্থাও নেই। এই বদ্ধমূল অশ্বত্থবৃক্ষকে বৈরাগ্যরূপ অস্ত্রে কেটে ফেলার পর, যে ব্রহ্মপদ লাভ করলে সংসারে আর ফিরে আসতে হয় না, সেই পরম ব্রহ্মপদের অন্বেষণ করা উচিৎ। আমি সেই আদি পরমব্রহ্মপুরুষেরই শরণাপন্ন হই, যাঁর থেকে এই চিরন্তনী সংসার-প্রবৃত্তি প্রবাহিত হয়ে চলেছে।

  

     ৫

নির্মানমোহা জিতসঙ্গদোষা

অধ্যাত্মনিত্যা বিনিবৃত্তিকামাঃ।

দ্বন্দ্বৈর্বিমুক্তাঃ সুখদুঃখসংজ্ঞৈর্গচ্ছন্ত্যমূঢ়া

পদমব্যয়ং তৎ।।

নিঃ-মান-মোহা জিত-সঙ্গ-দোষা

অধ্যাত্ম-নিত্যাঃ বিনিবৃত্তি-কামাঃ।

দ্বন্দ্বৈঃ-বিমুক্তাঃ সুখ-দুঃখ-সংজ্ঞৈঃ গচ্ছন্তি অমূঢ়া

পদম্‌ অব্যয়ং তৎ।।

অহংকারহীন ও মোহবর্জিত হয়ে, আসক্তির সমস্ত দোষ জয় করে, পরমাত্মজ্ঞানে নিষ্ঠা নিয়ে, বাসনা ত্যাগ করে, সুখ-দুঃখের দ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত হয়ে, জ্ঞানী ও বিবেকী ব্যক্তিরাই সেই অব্যয় পরমব্রহ্মপদ লাভ করেন।

  

ন তদ্ভাসয়তে সূর্যো ন শশাঙ্কো ন পাবকঃ।

যদ্‌ গত্বা ন নিবর্তন্তে তদ্ধাম পরমং মম।।

ন তৎ ভাসয়তে সূর্যঃ ন শশাঙ্কঃ ন পাবকঃ।

যৎ গত্বা ন নিবর্তন্তে তৎ ধাম পরমং মম।।

যে পদ লাভ করলে আবার জন্ম নিতে হয় না, সূর্য, চন্দ্র কিংবা অগ্নি যাঁকে প্রকাশ করতে পারেন না, সেই পদই আমার কাছে পরম ব্রহ্মপদ।

  

মমৈবাংশো জীবলোকে জীবভূতঃ সনাতনঃ।

মনঃষষ্ঠানীন্দ্রিয়াণি প্রকৃতিস্থানি কর্ষতি।।

মম এব অংশঃ জীবলোকে জীবভূতঃ সনাতনঃ।

মনঃ-ষষ্ঠানি-ইন্দ্রিয়াণি প্রকৃতিস্থানি কর্ষতি।।

কারণ আমারই সনাতন একটি অংশ জীবলোকে জীবভূতরূপে, প্রকৃতিতে অবস্থিত মন ও ছয় ইন্দ্রিয়কে আকর্ষণ করে।

 

শরীরং যদবাপ্নোতি যচ্চাপ্যুৎক্রামতীশ্বরঃ।

গৃহীত্বৈতানি সংযাতি বায়ুর্গন্ধানিবাশয়াৎ।।

শরীরং যৎ অবাপ্নোতি যৎ চ অপি উৎক্রামতি ঈশ্বরঃ।

গৃহীত্বা এতানি সংযাতি বায়ুঃ-গন্ধান-ইব-আশয়াৎ।।

যেমন বায়ু পুষ্প থেকে গন্ধ আহরণ করে, তেমনি দেহের অধিকারী, শরীর ত্যাগের সময়, পূর্ব দেহ থেকে সমস্ত ইন্দ্রিয় আহরণ করে প্রস্থান করেন ও নতুন শরীর ধারণ করেন।

 

শ্রোত্রং চক্ষুঃ স্পর্শনঞ্চ রসনং ঘ্রাণমেব চ।

অধিষ্ঠায় মনশ্চায়ং বিষয়ানুপসেবতে।।

শ্রোত্রং চক্ষুঃ স্পর্শনং চ রসনং ঘ্রাণম্‌ এব চ।

অধিষ্ঠায় মনঃ চ অয়ং বিষয়ান্‌ উপসেবতে।।

দেহের অধিকারী এই জীবাত্মা কান, চোখ, ত্বক, জিভ ও নাক এমনকি মনকেও আশ্রয় করে বিষয় সম্পদ উপভোগ করেন।

 

     ১০

উৎক্রামন্তং স্থিতং বাপি ভুঞ্জানং বা গুণান্বিতম্‌।

বিমূঢ়া নানুপশ্যন্তি পশ্যন্তি জ্ঞানচক্ষুষঃ।।

উৎক্রামন্তং স্থিতং বা অপি ভুঞ্জানং বা গুণান্বিতম্‌।

বিমূঢ়া ন অনুপশ্যন্তি পশ্যন্তি জ্ঞানচক্ষুষঃ।।

যে জীবাত্মা অন্য শরীরে গমন করেন ও অবস্থান করেন, যিনি ইন্দ্রিয় ও তিনগুণের প্রভাবে বিষয় ভোগ করতে থাকেন, তাঁকে অজ্ঞান ব্যক্তি দেখতে পায় না, কিন্তু আত্মজ্ঞানীরা তাঁকে দেখতে পান।

 

১১

যতন্তো যোগিনশ্চৈনং পশ্যন্ত্যাত্মন্যবস্থিতম্‌।

যতন্তোঽপ্যকৃতাত্মানো নৈনং পশ্যন্ত্যচেতসঃ।।

যতন্তঃ যোগিনঃ চ এনং পশ্যন্তি আত্মনি অবস্থিতম্‌।

যতন্তঃ অপি অকৃত আত্মানঃ ন এনং পশ্যন্তি অচেতসঃ।।

সমাহিত চিত্তের যোগীগণ এই আত্মাকে নিজের আত্মায় প্রতিষ্ঠিত দেখতে পান, কিন্তু অশুদ্ধচিত্তের বিবেকহীন মানুষ এই আত্মাকে দেখতে পায় না।

 

    ১২

যদাদিত্যগতং তেজো জগদ্ভাসয়তেঽখিলম্‌।

যচ্চন্দ্রমসি যচ্চাগ্নৌ তত্তেজো বিদ্ধি মামকম্‌।।

যৎ আদিত্য-গতং তেজঃ জগৎ ভাসয়তে অখিলম্‌।

যৎ চন্দ্রম্‌ অসি যৎ চ অগ্নৌ তৎ তেজঃ বিদ্ধি মামকম্‌।।

সূর্যের যে তেজে, চন্দ্রের যে জ্যোতিতে এবং অগ্নির যে দাহিকাশক্তিতে এই অখিল জগৎ উদ্ভাসিত হয়, জেনে রাখো, সেই তেজ আমারই।

 

১৩

গামাবিশ্য চ ভূতানি ধারয়ম্যহমোজসা।

পুষ্ণামি চৌষধীঃ সর্বাঃ সোমো ভূত্বা রসাত্মকঃ।।

গাম্‌ আবিশ্য চ ভূতানি ধারয়মি অহম্‌ ওজসা।

পুষ্ণামি চ ঔষধীঃ সর্বাঃ সোমঃ ভূত্বা রস-আত্মকঃ।।

এই নিখিল ভুবনে প্রবেশ ক’রে, আমার ঐশ্বরিক শক্তি দিয়ে স্থাবর জঙ্গম সকল ভূতকে আমিই ধারণ করি। রসাত্মক চন্দ্র হয়ে আমিই সমস্ত শস্যকে পুষ্টি দান করি।

 

    ১৪

অহং বৈশ্বানরো ভূত্বা প্রাণিনাং দেহমাশ্রিতঃ।

প্রাণাপানসমাযুক্তঃ পচাম্যন্নং চতুর্বিধম্‌।।

অহং বৈশ্বানরঃ ভূত্বা প্রাণিনাং দেহম্‌ আশ্রিতঃ।

প্রাণ-অপান-সমাযুক্তঃ পচামি অন্নং চতুঃ-বিধম্‌।।

আমিই অগ্নি রূপে জীবদেহে অবস্থান করি এবং প্রাণ ও অপানবায়ুর সংযোগে চর্ব্য, চোষ্য, লেহ্য, পেয়, এই চার প্রকারের খাদ্য পরিপাক করি।

 

১৫

সর্বস্য চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো

মত্তঃ স্মৃতির্জ্ঞানমপোহনঞ্চ।

বেদৈশ্চ সর্বৈরহমেব বেদ্যো

বেদান্তকৃদ্‌ বেদবিদেব চাহম্‌।

সর্বস্য চ অহং হৃদি সন্নিবিষ্টো

মত্তঃ স্মৃতিঃ-জ্ঞানম্‌ অপোহনং চ।

বেদৈঃ চ সর্বৈঃ অহম্‌ এব বেদ্যঃ

বেদান্ত-কৃৎ বেদ-বিৎ এব চ অহম্‌।

আমিই সকল জীবের হৃদয়ে সম্যকরূপে নিবিষ্ট থাকি, আমার থেকেই স্মৃতি ও জ্ঞানের উপলব্ধি হয় আবার অবলুপ্তিও ঘটে। সকল বেদে আমিই জ্ঞানের বিষয়, বেদান্তের অধিকারী আমিই বেদজ্ঞ।

  

   ১৬

দ্বাবিমৌ পুরুষৌ লোকে ক্ষরশ্চাক্ষর এব চ।

ক্ষরঃ সর্বাণি ভূতানি কূটস্থোঽক্ষর উচ্যতে।।

দ্বৌ ইমৌ পুরুষৌ লোকে ক্ষরঃ চ অক্ষরঃ এব চ।

ক্ষরঃ সর্বাণি ভূতানি কূটস্থঃ অক্ষরঃ উচ্যতে।।

ক্ষর ও অক্ষর এই দুইধরনের পুরুষ জগতে প্রসিদ্ধ।  বিনাশী বিকার থেকে উৎপন্ন সমস্ত ভূতকে ক্ষর পুরুষ এবং কূটস্থ নির্বিকার পুরুষকে অক্ষর বলে।

[ক্ষর কথার অর্থ যার ক্ষরণ বা ক্ষয় হয় - অর্থাৎ বিনাশী, নশ্বর। আর অক্ষর হল তার বিপরীত, অর্থাৎ অবিনাশী, অব্যয়, অবিনশ্বর]  

 

১৭

উত্তমঃ পুরুষস্ত্বন্যঃ পরমাত্মেত্যুদাহৃতঃ।

যো লোকত্রয়মাবিশ্য বিভর্ত্যব্যয় ঈশ্বরঃ।।

উত্তমঃ পুরুষঃ তু অন্যঃ পরমাত্মা ইতি উদাহৃতঃ।

যঃ লোকত্রয়ম্‌ আবিশ্য বিভর্তি অব্যয়ঃ ঈশ্বরঃ।।

এই দুই পুরুষ ছাড়া আরেক জন শ্রেষ্ঠ পুরুষ আছেন, তিনিই পুরুষোত্তম নামে অভিহিত হন। ভূঃ, ভুবঃ আর স্বঃ -এই তিন ভুবনের মধ্যে অবস্থান ক’রে, তিনিই অব্যয় ঈশ্বররূপে সকলকে পালন করেন।

 

    ১৮

যস্মাৎ ক্ষরমতীতোঽহমক্ষরাদপি চোত্তমঃ।

অতোঽস্মি লোকে বেদে চ প্রথিতঃ পুরুষোত্তমঃ।।

যস্মাৎ ক্ষরম্‌ অতীতঃ অহম্‌ অক্ষরাৎ অপি চ উত্তমঃ।

অতঃ অস্মি লোকে বেদে চ প্রথিতঃ পুরুষোত্তমঃ।।

যেহেতু আমি ক্ষরের অতীত এবং অক্ষরের অনেক ঊর্ধে, সেহেতু সর্বলোকে এবং সকল বেদে, আমিই পুরুষোত্তম নামে প্রখ্যাত।

 

১৯

যো মামেবমসংমূঢ়ো জানাতি পুরুষোত্তমম্‌।

স সর্ববিদ্‌ ভজতি মাং সর্বভাবেন ভারত।।

যঃ মাম্‌ এবম্‌ অসংমূঢ়ো জানাতি পুরুষ-উত্তমম্‌।

স সর্ববিদ্‌ ভজতি মাং সর্বভাবেন ভারত।।

হে অর্জুন, সমস্ত মোহমুক্ত হয়ে, অভিমানশূণ্য চিত্তে যিনি আমাকেই পুরুষোত্তম উপলব্ধি করেন, সেই সর্বজ্ঞ ব্যক্তি সর্বতোভাবে আমারই উপাসনা করেন।

 

২০

ইতি গুহ্যতমং শাস্ত্রমিদমুক্তং ময়াঽনঘ।

এতদ্‌ বুদ্ধা বুদ্ধিমান্‌ স্যাৎ কৃতকৃত্যশ্চ ভারত।।

ইতি গুহ্যতমং শাস্ত্রম্‌ ইদম্‌ উক্তং ময়া অনঘ।

এতদ্‌ বুদ্ধা বুদ্ধিমান্‌ স্যাৎ কৃতকৃত্যঃ চ ভারত।।

হে অপাপবিদ্ধ অর্জুন, এই যে পরমরহস্যময় শাস্ত্রতত্ত্ব আমি তোমাকে ব্যাখা করলাম, এই তত্ত্ব জানতে পারলে যে কোন ব্যক্তি পরম জ্ঞানী ও কৃতার্থ হয়ে থাকেন। 


পুরুষোত্তমযোগ সমাপ্ত

চলবে...





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নতুন পোস্টগুলি

বিপ্লবের আগুন - পর্ব ৯

  এর আগের ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব  - "  সুরক্ষিতা - পর্ব ১  "  অন্যান্য সম্পূর্ণ  উপন্যাস - "  এক দুগুণে শূণ্য   ...