এই সূত্রে - " ঈশোপনিষদ "
এই সূত্র থেকে শুরু - " কঠোপনিষদ - ১/১ "
এই সূত্র থেকে শুরু - " কেনোপনিষদ - খণ্ড ১ ও ২ "
এই সূত্র থেকে শুরু - " শ্রীশ্রী চণ্ডী - পর্ব ১ "
এই সূত্র থেকে শুরু - " গীতা - ১ম পর্ব "
এই সূত্র থেকে শুরু - " ভাগবত পুরাণ - পর্ব ১/১ "
বরাহ অবতারের পৃথিবীর উদ্ধার
পশু যেমন গন্ধ শুঁকে সবকিছুর
সন্ধান করে, তিনিও গন্ধ শুঁকে পৃথিবীর সন্ধান করতে সমুদ্রের জলের মধ্যে ঝাঁপ
দিলেন। তাঁর বিশাল আকার এবং তাঁর ভীষণ ধারালো ক্ষুরের আঘাতে সমুদ্র যেন দুই ভাগে
ভাগ হয়ে গেল। যে অর্ণবের জলে শ্রীনারায়ণ অনন্তশয়ান অবস্থানে ছিলেন, সেই শান্ত
সমুদ্র এখন তোলপাড় হয়ে উঠল। সেই বিক্ষুব্ধ সমুদ্রের ঢেউয়ের নীচে খুঁজতে খুঁজতে
তিনি পৃথিবীকে দেখতে পেয়েই, তাঁর বিশাল দুই দাঁতের উপর পৃথিবীকে তুলে নিলেন। সেই
সময় সমুদ্রের মধ্যেই হিরণ্যাক্ষ নামে এক ভীষণ দৈত্য বাধা দিতে এলে, শ্রীবিষ্ণু
ভয়ঙ্কর ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে খুব সহজেই হত্যা করলেন। তারপর দুই দাঁতের মধ্যে পৃথিবীকে
নিয়ে ভেসে উঠলেন সমুদ্রের উপর।
ব্রহ্মা ও অন্যান্য ঋষিগণ
তমালনীল দৈব বরাহের দুই দাঁতের উপর ধরে রাখা শ্যামল সুন্দর পৃথিবীকে দেখে অভিভূত
হলেন। তাঁরা সকলে জোড় হাতে সেই
বরাহদেবের স্তুতি করে বলতে লাগলেন,
“জয় জয় হে অজিত, তোমারই জয়।
তুমিই যজ্ঞমূর্তি, বেদময় তোমার তনু। হে ভূধর, জলের মধ্যে গজশিশু তার দাঁতের ওপর
পদ্ম ধারণ করলে যেমন শোভা হয়, তোমার দাঁতের উপর এই পৃথিবীর সেই রকম সুন্দর। পর্বত
শিখরে বিশাল মেঘখণ্ডের মতো, দাঁতের উপর এই ভূমণ্ডল ধারণ করাতে, তোমার বেদময়
বরাহরূপ অপরূপ দেখাচ্ছে। হে প্রভু, তুমি জগতের পিতা আর এই ধরিত্রীদেবী জগতের মাতা।
যজ্ঞের সময়, যাজ্ঞিক যেমন কাঠে অগ্নি সংযোগ করে, তেমনি তুমিও এই পৃথিবীতে তোমার
শক্তি নিহিত করেছ। এখন স্থাবর ও জঙ্গম সকল ভূতের আশ্রয় স্থানের জন্যে, এই পৃথিবীকে
সংস্থাপন করো। আমরা সকলে এই পৃথিবীতে বসবাস করে তোমাদের দুজনকে জনক ও জননী রূপে
প্রণাম করি।
হে জগন্নাথ, তুমি ছাড়া এমন
শক্তিমান আর কে আছে, যে রসাতল থেকে এত আয়াসে পৃথিবীকে উদ্ধার করতে পারে? কিন্তু
তোমার কাছে এ কাজ আদৌ আশ্চর্যের নয়। কারণ, তুমিই নিখিল বিশ্বের আধার, তুমি তোমার
মায়ায় এই নিখিল বিশ্ব সৃষ্টি করেছ। হে ভগবান, এই নিখিল বিশ্ব তোমার যোগমায়ার গুণে
তোমার সম্পর্কযুক্ত হয়ে মুগ্ধ। হে ঈশ্বর, তুমি বিশ্বের মঙ্গল সাধন করো। জীবগণ
তোমার অনন্ত ও ধারণাতীত এই শক্তির তত্ত্ব উপলব্ধি করে, সব সময় যেন তোমার ভজনা করতে
পারে, এই কৃপা তুমি দান করো”।
শ্রীমৈত্রেয় বললেন, “এইভাবে
ব্রহ্মবাদী ঋষিরা, লোকপালক বরাহদেবের স্তুতি করলে, তিনি নিজের ক্ষুরের আঘাতে অর্ণব
সলিলে আধান শক্তি সঞ্চার করে, পৃথিবীকে জলের উপর প্রতিষ্ঠা করে দিলেন। তারপর তিনি
অদৃশ্য হয়ে গেলেন। বৎস বিদুর, মেধা ও বুদ্ধি ভগবানে সমর্পণ করে দিলে, ভগবান সেই
ভক্তের সকল ভার হরণ করে নেন। তাই তাঁর আর এক নাম হরিমেধা। তাঁর কথা সর্বদাই
মঙ্গলময়, তাঁর মায়াময় চরিত্র সর্বজনের আদর্শ। ভগবান প্রসন্ন হলে, এই জগতে আর কোন
বস্তু দুর্লভ থাকে? জগতের সমস্ত বস্তুকেই তখন তুচ্ছ মনে হয়। কাজেই নিস্বার্থ ভক্তিতে যিনি
ভগবানে মন প্রাণ সমর্পণ করতে পারেন, তিনি ভগবানের চরণে নিশ্চিত আশ্রয় পেয়ে থাকেন”।
বরাহ অবতারের পৃথিবী উদ্ধারের
কাহিনী শোনার পর, বিনীত বিদুর আবার জিজ্ঞেস করলেন, “হে ঋষিশ্রেষ্ঠ মৈত্রেয়,
শ্রীভগবান, তাঁর বরাহলীলায় পৃথিবীকে উদ্ধার করার সময়, তাঁর সঙ্গে আদিদৈত্য
হিরণ্যাক্ষের কিসের জন্যে যুদ্ধ হল”?
শ্রী মৈত্রেয় স্মিত মুখে বললেন, “ভগবানের মাহাত্ম্য ভক্তিভরে শুনতে শুরু করলে কিছুতেই আর তৃপ্তি হয় না, আরো শুনতে ইচ্ছে হয়। মহামুনি নারদের মুখে, ভগবানের এই লীলা মাহাত্ম্য শুনে মহারাজ উত্তানপাদের বালক পুত্র ধ্রুব শ্রীবিষ্ণুপদ লাভ করেছিলেন। আর আমি এই বৃত্তান্ত শুনেছিলাম, স্বয়ং ব্রহ্মার কাছে, তিনি দেবতাদের কাছে এই ইতিহাস বর্ণনা করছিলেন। তোমার এই প্রশ্নের উত্তরে আমি যা বলি, মন দিয়ে শোনো”।
হিরণ্যাক্ষের জন্মরহস্য
শ্রীমৈত্রেয় বললেন, “একবার প্রজাপতি দক্ষের কন্যা দিতি, কামনার আগুনে অস্থির হয়ে তাঁর স্বামী মরীচিপুত্র কশ্যপের কাছে উপস্থিত হলেন। তখন সন্ধ্যাকাল, সবেমাত্র সূর্য অস্তে গিয়েছেন। মহামুনি কশ্যপ সারাদিন যজ্ঞের পর, যজ্ঞশালায় সমাহিত চিত্তে শ্রীবিষ্ণুর ধ্যান করছিলেন।
দিতি বললেন, “হে স্বামী, আমার সমস্ত অঙ্গ কামনার অনলে জ্বলছে। আমি এখনই আমার গর্ভে তোমার সন্তানের উদ্রেক চাই। আমার সতীনেরা সকলেই আমার বোন। আমাদের পিতা মহারাজ দক্ষ আমাদের বিয়ের আগে আমাদের প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমরা কাকে পতি হিসেবে পেতে চাই। আমাদের তেরজন বোনের সকলেই তোমার প্রতি অনুরক্ত ছিলাম, অতএব স্নেহবৎসল পিতা দক্ষ আমাদের তেরজনকেই তোমার হাতে সমর্পণ করেছিলেন। এখন পুত্রবতী সতীনদের ভাগ্য দেখে আমি ঈর্ষায় জ্বলছি, হে নাথ, তুমি আমাকেও পুত্র দাও। তোমার মতো স্বামীর সমাদর লাভ করে, আমার গর্ভে তোমার পুত্র ধারণ করার গৌরব আমাকে দান করো, হে স্বামী। তুমি কল্যাণপ্রদ ও ব্রহ্মজ্ঞ, আমি তোমার পত্নী, তোমার কাছে আমার কাতর অনুরোধ, তুমি আমার প্রার্থনা ফিরিয়ে দিও না। এসো, আমরা এখনই মিলিত হই”।
পত্নীর কামনা জর্জর ব্যাকুলতা দেখে মহামুনি কশ্যপ মধুরস্বরে বললেন, “হে প্রিয়ে, তোমার এই আশঙ্কার কোন কারণ নেই। তোমার মনের ইচ্ছে আমি অবশ্যই পূরণ করব। তোমার মতো পত্নীকে সুখী করলে ধর্ম, অর্থ ও কাম এই ত্রিবর্গ লাভ হয়, অতএব তোমার বাসনা কেন অপূর্ণ রাখব? জাহাজের নাবিক যেমন নিজেকে এবং অন্যান্য যাত্রীদের নিয়ে সমুদ্র পার হয়। তেমনই গৃহস্থাশ্রমে, গৃহস্থ পত্নীর সাহায্যেই নিজেকে ও অন্যান্য আশ্রমিকদের অন্ন ইত্যাদি দান করে সংসারের দুঃখসাগর পার হয়ে থাকে। হে অভিমানিনী, পত্নী সামান্য নয়, সৎ কর্ম অনুষ্ঠানে পত্নী সর্বদাই পুরুষের অর্ধাঙ্গরূপিণী স্বরূপ। হে গৃহেশ্বরী, আমি সর্বদাই তোমার গুণগ্রাহী, তোমার থেকে যে উপকার আমি নিয়ে থাকি, আমার পক্ষে তার প্রত্যুপকার করা এই জন্মে কিংবা পরের জন্মেও সম্ভব হবে না। হে সাধ্বী, তোমার পুত্রকামনা আমি অবশ্যই পূর্ণ করবো, কিন্তু এখন সন্ধ্যাকাল। এই সময় আমাদের মিলনের পক্ষে মোটেই মঙ্গলজনক নয়। এই সময় তোমার পিতা দক্ষের আরেক কন্যা সতীর পতি মহাদেব রুদ্র তাঁর বৃষ বাহনে চারদিকে ঘুরে বেড়ান। সঙ্গে থাকে তাঁর ভূত প্রেত অনুচরগণ। মহাদেবের ধূসর জটা, ভস্মে ঢাকা তাঁর সোনার শরীর, চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নি তাঁর এই তিন চোখ। এই তিন চোখে তিনি এখন সব কিছুই দেখতে পান। এই অসময়ে আমাদের মিলন তিনি দেখতে পাবেন, তাতেও কি তোমার লজ্জা হবে না?
হে প্রিয়তমে, ভগবান শ্রীরুদ্রের
ঐশ্বর্যের কথা বলে শেষ করা যায় না। তিনি জগতে কাউকেই আত্মীয় বা পর মনে করেন না।
জগতে কোন জীবের প্রতিই তাঁর না অনুরাগ আছে, না তিনি কাউকে বিদ্বেষ করেন। তিনি
পরমেশ্বরের প্রতি একাত্ম। তিনি আমাদের ত্যাগধর্ম শেখাবার জন্যেই স্বয়ং সমস্ত ভোগ
ত্যাগ করে নগ্ন হয়ে, গায়ে ভস্ম মেখে ঘুরে বেড়ান। যারা দেহকেই আত্মা বলে মনে করে,
কুকুর ও শেয়ালের ভক্ষ্য দেহকে যারা বস্ত্র, মালা, অলংকার ও চন্দন-কুঙ্কুম চর্চায়
সাজিয়ে তোলে, সেই সব মূর্খ ব্যক্তি, মহাদেব রুদ্রের এই নগ্ন আচরণ দেখে উপহাস করে।
তাঁর এই আচরণ লোকশিক্ষার জন্যেই। অতএব এই সময় মহাদেব রুদ্রের দৃষ্টির সামনে আমাদের
এই অসংযম কখনো করা উচিৎ নয়”।
স্বামী কশ্যপের এই উপদেশ বাক্য
শুনেও কিন্তু দিতি সংযত হতে পারলেন না। তিনি কামনায় নির্লজ্জ হয়ে কশ্যপের বস্ত্র
আকর্ষণ করলেন এবং মহর্ষি কশ্যপকে প্ররোচিত করলেন মিলিত হবার জন্যে। মহর্ষি কশ্যপ,
এই নিষিদ্ধ কর্ম থেকে পত্নীকে নিরস্ত করতে না পেরে, ঈশ্বরকে স্মরণ করে অবশেষে
দিতির সঙ্গে মিলিত হলেন। মিলনের পর মহর্ষি কশ্যপ স্নান করলেন, প্রাণায়াম করলেন এবং
নির্গুণ জ্যোতি ধ্যান করতে করতে প্রণব জপ করতে লাগলেন।
এতক্ষণে নিজের অসংযমের জন্যে
লজ্জিতা দিতি ব্রহ্মর্ষি কশ্যপের কাছে গিয়ে, মুখ নীচু করে বললেন, “হে ব্রহ্মন, আমি
ভূতপতি রুদ্রের অবজ্ঞা করে ভীষণ অপরাধ করেছি, আমার গর্ভস্থ শিশুর যেন কোন ক্ষতি না
হয়, তুমি এমন উপায় করো। তিনি ভগবান রুদ্র, তাঁর ক্রোধে বিশ্বের বিনাশ হয়, আমি
তাঁকে প্রণাম করি। ভগবান মহাদেব আমার ভগ্নীপতি, তিনি অশেষ করুণাময়। তিনি সতীপতি,
তিনি জানেন নারীরা অতি নিষ্ঠুর ব্যক্তিরও কৃপার পাত্র। তিনি আমার প্রতি যেন
প্রসন্ন থাকেন”।
সায়ন্তন ধ্যান শেষ করে প্রজাপতি কশ্যপ পত্নীর এই ভীত অবস্থা দেখে বিরক্ত মুখে বললেন, “হে অভদ্রে, তোমার স্বভাব অত্যন্ত ধৈর্যহীন এবং বড়ই ঈর্ষাগ্রস্ত। তোমার গর্ভের দুই নরাধম পুত্র, লোকপাল ও লোকসমূহের ভয়ানক কষ্টের কারণ হয়ে উঠবে। কারণ তোমার মন অপবিত্র ছিল, তুমি সন্ধ্যার কালদোষ চিন্তা করলে না, আমার আজ্ঞাও তুমি মানলে না। এমনকি মহাদেব রুদ্রকেও তুমি অবহেলা করলে। তোমার এই দুই পুত্র বড় হয়ে প্রাণিবধ করবে, নারীদের অত্যাচার করবে, সাধুব্যক্তিদের ক্রোধ সৃষ্টি করবে। সেই সময় বিশ্বেশ্বর ভগবান তাঁর লোক রক্ষার জন্যে জগতে আবির্ভূত হবেন এবং তাঁর হাতেই এই দুই নরাধমের বিনাশ হবে”।
দিতি বললেন, “হে প্রভু, শ্রীভগবান চক্রধারী যদি আমার দুই পুত্রকে হত্যা করেন, আমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু কোন ক্রুদ্ধ ব্রাহ্মণের অভিশাপে যেন ওদের মৃত্যু না হয়। কারণ যারা ব্রহ্মশাপে বিনষ্ট হয়, তাদের সর্বলোক ভয় করে। তাদের নরকবাসীরাও ঘৃণা করে। পরে যে যে যোনিতে তাদের জন্ম হয়, সেই প্রাণিরাও তাদের প্রতি প্রসন্ন হয় না”।
এই কথায় কশ্যপ কিছুটা শান্ত হয়ে বললেন, “যেহেতু তুমি তোমার কাজের জন্যে অনুতপ্ত এবং নিজের ভুল বুঝতে পেরে যুক্তিপূর্ণ বিচার দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেছ। যেহেতু আমার প্রতি তোমার প্রীতি ও ভগবানের প্রতি তোমার একান্ত ভক্তি দেখালে, সেহেতু তোমার পৌত্রদের মধ্যে একজন ভগবান শ্রীহরির মহান ভক্ত হবে। সাধু ব্যক্তিরা তার পবিত্র চরিত্র ও আচরণের অনুসরণ করবেন। ভগবান যার প্রতি প্রসন্ন হন, সমস্ত জগত তার প্রতি প্রসন্ন হয়ে থাকে, কারণ ভগবান জগতের আত্মা। সেই ভগবান তোমার পৌত্রের অনন্যভক্তিতে পরম প্রীত হবেন। ভগবান শ্রীহরি তোমার সেই পৌত্রকে ধ্যানযোগে এবং চোখের সামনে প্রত্যক্ষ স্বরূপে দর্শন দেবেন”।
[দিতির পুত্ররা হলেন দৈত্য। কশ্যপ মুনি যে দুই নরাধম পুত্রের কথা বললেন, তাঁরা হলেন হিরণ্যাক্ষ এবং হিরণ্যকশিপু। এই দুই পুত্রই ভগবান বিষ্ণুর হাতে প্রাণ দিয়ে মুক্তি লাভ করবেন। আর এই দৈত্যকুলেই জন্ম হবে হিরণ্যকশিপুর পুত্র বিষ্ণুভক্ত প্রহ্লাদের। দৈত্য বলতে যদি অনার্য ধরা হয়, তাহলে এই দুই দৈত্যরাজকে হত্যা করেছিলেন বিষ্ণু। আর্য-অনার্য মিলেমিশে সনাতন বা হিন্দু ধর্ম সৃষ্টির সময়, অনার্যদের মনে যাতে কোন রকম ক্ষোভের উদ্রেক না ঘটে, সেই কারণে পুরাণকার এই কাহিনীটি রচনা করলেন। অসংযমী মায়ের দোষে নরাধম দৈত্যরাজের জন্ম ও মৃত্যু এবং তাদের পুত্রের ভক্ত হয়ে ওঠা - সব কিছুই যেন পূর্ব পরিকল্পিত!]
মৈত্রেয় বললেন, “তাঁর পৌত্র
ভগবানের মহান ভক্ত হবে এবং ভগবান বিষ্ণুর হাতে তাঁর দুইপুত্রের বিনাশ হবে, অর্থাৎ
তাঁর দুই পুত্রের কীর্তি ও সদ্গতি হবে জেনে দক্ষকন্যা দিতি ভীষণ আনন্দিত হলেন”।
চলবে...