বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

এক যে ছিলেন রাজা - ১৬শ পর্ব

 এর আগের ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব  - " সুরক্ষিতা - পর্ব ১ " 

অন্যান্য সম্পূর্ণ  উপন্যাস - " এক দুগুণে শূণ্য "

"অচিনপুরের বালাই"

সৌদামিনীর ঘরে ফেরা "

শুরু হল নতুন ধারাবাহিক উপন্যাস - " বিপ্লবের আগুন - পর্ব ১ "

এই ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " এক যে ছিলেন রাজা - ১ম পর্ব "


      


[শ্রীমদ্ভাগবৎ পুরাণে পড়া যায়, শ্রীবিষ্ণুর দর্শন-ধন্য মহাভক্ত ধ্রুবর বংশধর অঙ্গ ছিলেন প্রজারঞ্জক ও অত্যন্ত ধার্মিক রাজা। কিন্তু তাঁর পুত্র বেণ ছিলেন ঈশ্বর ও বেদ বিরোধী দুর্দান্ত অত্যাচারী রাজা। ব্রাহ্মণদের ক্রোধে ও অভিশাপে তাঁর পতন হওয়ার পর বেণের নিস্তেজ শরীর ওষধি এবং তেলে সম্পৃক্ত করে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। তারপর রাজ্যের স্বার্থে ঋষিরা রাজা বেণের দুই বাহু মন্থন করায় জন্ম হয় অলৌকিক এক পুত্র ও এক কন্যার – পৃথু ও অর্চি। এই পৃথুই হয়েছিলেন সসাগর ইহলোকের রাজা, তাঁর নামানুসারেই যাকে আমরা পৃথিবী বলি। ভাগবৎ-পুরাণে মহারাজ পৃথুর সেই অপার্থিব আবির্ভাবের যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়  (৪র্থ স্কন্ধের, ১৩শ থেকে ১৬শ অধ্যায়গুলিতে), তার বাস্তবভিত্তিক পুনর্নির্মাণ  করাই এই উপন্যাসের উদ্দেশ্য।]

এই উপন্যাসের আগের পর্ব - এক যে ছিলেন রাজা - ১৫শ পর্ব "



২৯ 

মহারাণি সুনীথার শয়ন কক্ষে প্রবেশ করেই মহর্ষি ভৃগু বললেন, “মহারাণির জয় হোক! আপনার অভিলাষ মন্ত্রীমণ্ডলীতে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে! এই মূহুর্ত থেকে আপনি রাজ্য পরিচালনা এবং প্রশাসনিক সমস্ত দায়িত্ব থেকে মুক্ত”।  মহারাণি সুনীথা মহর্ষির দিকে কিছুক্ষণ নির্বাক তাকিয়ে রইলেন। তাঁর মুখমণ্ডলের ছায়াপাত দীপের আলোকেও স্পষ্ট ধরা পড়ল মহর্ষি ভৃগুর চোখে।

মহর্ষি ভৃগুর আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা দাসী পদ্মবালা বলে উঠল, “খুব ভালো হয়েছে, ঠাকুর। রাজকুমারীকে সারাদিন বাইরের লোকজনেরা এসে তিক্তবিরক্ত করে তুলত – নানান সমস্যায়। সে সব আর থাকবে না। রাজকুমারী এখন থেকে পুত্রসেবায় এবং পূজার কাজে, অনেক বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন! বেশ হল, খুব ভালো হল”।

দাসী পদ্মবালার কথায় মহারাণি সম্বিত ফিরে পেলেন, অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, “যা বলেছিস, পদ্ম! গুরুদায়িত্ব থেকে মুক্তি পাওয়াতে নিজেকে খুব হাল্কা লাগছে এখন। কিন্তু মন্ত্রীমণ্ডলী এত সহজে, এত তাড়াতাড়ি, আমার অনুরোধ মেনে নিল?”

মহর্ষি ভৃগু বললেন, “আপনার অনুরোধ, আমাদের সকলের কাছে আদেশ – সে আদেশ আমরা কোনদিন অমান্য করেছি, মহারাণি? আমাদের আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, আপনি সপুত্র রাজাবেণের নবনির্মিত উদ্যানবাটিকায় অবস্থান করবেন”।

মহারাণি সুনীথা চমকে উঠে বললেন, “কেন?”

আচার্য বিশ্ববন্ধু অত্যন্ত বিনীত স্বরে বললেন, “মহারাণি, যদি অভয় দেন তো, রাজাবেণের স্বাস্থ্য সম্বন্ধে আমার দু একটি বক্তব্য আছে”।

মহারাণি অত্যন্ত সন্দিগ্ধ চোখে মহর্ষি ভৃগুর দিকে তাকিয়ে, আচার্য বিশ্ববন্ধুর দিকে মুখ ফেরালেন, বললেন, “বলুন, আচার্য”!

“বিগত মাসাধিককাল রাজাবেণের স্বাস্থ্যের উল্লেখযোগ্য কোন উন্নতি হয়নি। আমাদের ধারণা, স্থান পরিবর্তনে তাঁর স্বাস্থ্যের উন্নতি সম্ভব। বিশেষতঃ, তাঁর নিজ হাতে নির্মিত উদ্যানবাটিকায় বসবাস তাঁর মানসিক তৃপ্তির কারণ হতে পারে! অত্যন্ত যত্নে ধীর গতি অশ্বশকটে যাওয়ার পথে, তাঁর মনে হতে পারে, এই পথে অশ্ব ছুটিয়ে তিনি বীর দর্পে কতবার আসা যাওয়া করেছেন! সেই সব স্মৃতি তাঁর মনে ফিরিয়ে আনতে পারে, প্রবল উদ্দীপনা!

নিজের রুচি ও শিল্পবোধ অনুযায়ী তিনি ওই উদ্যানবাটিকাকে নিজের হাতে সাজিয়ে তুলেছেন, তিল তিল সৌন্দর্য আহরণ করে...। কত বিচিত্র ধরনের পুষ্পতরু এনে তিনি উদ্যান বানিয়েছেন। আশ্চর্য সুন্দর সব প্রজাতির পাখি ও পশুর সংগ্রহশালা বানিয়ে তুলেছেন সেখানে। অভূতপূর্ব দীপমালা এবং অনিন্দ্যসুন্দর মৃৎ-পুত্তলি সংগ্রহ করে স্থাপনা করেছেন সেই উদ্যানে। সেই উদ্যানে পদার্পণ মাত্রই, আমাদের বিশ্বাস, তিনি অনুভব করবেন সুস্থ হয়ে ওঠার প্রবল ইচ্ছাশক্তি।”

মহারাণি সুনীথা জিজ্ঞাসা করলেন, “ইচ্ছাশক্তিতে কী হয়?”

“ইচ্ছাশক্তিতে কী না হয়, মহারাণি? ইচ্ছাশক্তিহীন মানুষ মৃতবৎ! রাজাবেণের মস্তিষ্ক অচল নয় মহারাণি, দিনের পর দিন, মাসের পর মাস শয্যাশায়ী থাকতে থাকতে তিনি কি কোনোদিন এই চিন্তা করবেন না, এইভাবে নির্জীব জড়ের মতো বেঁচে থেকে কী লাভ? এর থেকে শ্রেয়ঃ...!” আচার্য বিশ্ববন্ধু কথা শেষ না করেই বাক্যান্তরে চলে গেলেন, বললেন, “ইচ্ছাশক্তি উজ্জীবিত হলে, তিনি নিজ পায়ে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করতে পারেন, কথা বলার চেষ্টা করতে পারেন...সেটাই আমরা সকলে চাইছি, মহারাণি”।

কুঞ্চিত ভ্রূ মহারাণি তীক্ষ্ণ চোখে আচার্য বিশ্ববন্ধুর দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, “আপনার তেমনই বিশ্বাস? আপনাদের আয়ুর্বেদশাস্ত্রে এমনই বলে?”

“বলে মহারাণি। গতানুগতিকতা ছেড়ে নতুন পরিবেশে গেলে অনেক সময় চমকপ্রদ ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে, ওই উদ্যানবাটিকা ছিল মহারাজ বেণের স্বপ্ন! অসুস্থ হওয়ার আগে তিনি অজস্রবার ওখানে গিয়েছেন, নির্মাণকাজের পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি তিনি নিজে হাতে সাজিয়েছেন! সেই স্বপ্নপূরণ নিজের চোখে দেখার অনুভূতি তাঁকে উদ্দীপিত করতে পারে”!

মহারাণি গভীর দৃষ্টিতে পুত্রবেণের মুখের দিকে তাকালেন, রাজাবেণের দুই চোখ এখন নিমীলিত। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর, দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “তাই হোক। কবে যেতে হবে বলবেন!”

আচার্য বিশ্ববন্ধু বিনীত স্বরে বললেন, “হয়তো, এই সপ্তাহেই! আপনাকে পূর্বাহ্নেই জানিয়ে দেব, মহারাণি”।

এতক্ষণ দাসী পদ্মবালা চুপ করে সব কথা শুনছিল, এখন বলল, “এক দিকে ভালই হল, রাজকুমারী, যতই তুমি রাজ্য শাসন থেকে দূরে থাকো, প্রজারা তোমার কাছে যখন তখন এসে দাঁড়াতোই। তাদের অভাব অভিযোগের কথা তোমার কাছে বলতে এলে, তুমি কি তাদের ফিরিয়ে দিতে পারতে রাজকুমারী? পারতে না! তার থেকে একটু নির্জনে দূরে থাকাই ভালো! বেণ সুস্থ হলে আমরা তো আবার ফিরেই আসবো, তাই না?”

আচার্য বিশ্ববন্ধু বললেন, “অবশ্যই পদ্মাদেবী”।

উত্তরে দাসী পদ্মবালা বলল, “কিন্তু কদিন আগে রাজপথে বিষ্ণুমন্দিরের সামনে কিছু চারণকবির গান শুনছিলাম। পথের লোকরা, ব্যাপারীরা তাদের ঘিরে ধরে গান শুনছিল, আমিও শুনলাম”।

মহারাণি সুনীথা একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, “এখন তোর চারণ গানের কথা মনে পড়ল, পদ্ম? অবান্তর কথা তুই এতও বলতে পারিস!”

“না গো রাজকুমারী, তুমি এদিকে সর্বদা ব্যস্ত থাকো বলে বলা হয়নি। তারা বলছিল, কে এক পৃথু আর অর্চ্চির কথা। তারা নাকি রাজাবেণের মানসপুত্র ও কন্যা। ভগবান বিষ্ণুর অংশ-অবতার। ওই পৃথুই নাকি রাজা হবে, আর অর্চ্চি হবে তার রাণি। তাতে দেশ নাকি শস্যে-সম্পদে, শান্তি-সুখে ভরে উঠবে”।

বিস্মিত মহারাণি মহর্ষি ভৃগুর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “সে আবার কী? এসবের অর্থ কী, মহর্ষিঠাকুর? আপনি কিছু জানেন?”

মহর্ষি ভৃগু বললেন, “আজ মন্ত্রীমণ্ডলের সভাতেও এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হল। শুনলাম, উত্তরের কোন অরণ্যবাসী তপস্বী এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁর কথা শুনেই এই চারণকবিরা দেশে দেশে ওই গান গেয়ে বেড়াচ্ছে”!

“কিন্তু পুত্র বেণের মানস পুত্র এবং কন্যা? তারা কীভাবে আসছে?”

“ঈশ্বরের হয়তো সেরকমই অভিলাষ, তাঁর লীলার কথা কে বলতে পারে?”

মহর্ষি ভৃগুর উত্তরে মহারাণি সুনীথা বিদ্রূপের সুরে বললেন, “আপনিও বলতে পারেন না, মহর্ষিঠাকুর? শুনেছি আপনি সর্বজ্ঞ?”

মহর্ষি ভৃগু দৃঢ়স্বরে বললেন, “মহারাণি, মানুষ আজন্ম নিয়তির বশীভূত, তার পক্ষে সর্বজ্ঞ হওয়া সম্ভব নয়!  তবে রাজাবেণের কোষ্ঠী বিচার করে আমরাও দেখেছি, তাঁর শরীরে এখন বিষ্ণুর অবস্থান। রাজাবেণের অঙ্গ থেকে তাঁর মর্ত্যলোকে অবতীর্ণ হওয়ার লগ্ন আসন্নপ্রায়”!  মহারাণি সুনীথা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন, মহর্ষি ভৃগুর মুখের দিকে, কিছু বললেন না। মহর্ষি ভৃগু আরও বললেন, “আচার্য বিশ্ববন্ধু রাজাবেণের স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য, আপনাদের নতুন উদ্যানে অবস্থানের যে পরামর্শ দিলেন, আমারও অভিমত তাই। আপনারা এই জনবহুল রাজভবন ও এই ভবনের অন্দরমহলের জটিল আবর্ত থেকে বেরিয়ে, নির্জন উদ্যানবাটিকায় কিছুদিন নিশ্চিন্তে বাস করুন। সেখানেই হোক ভগবান বিষ্ণুর অলৌকিক অবতরণ!”

মহারাণি সুনীথা উত্তেজিত হয়ে বললেন, “এর অর্থ আপনিও ওই অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করছেন?”

“করছি মহারাণি! আমার ধারণা, মহারাজ অঙ্গের সম্পূর্ণ বংশ পরিচয় জানলে, আপনিও বিশ্বাস করবেন। সংক্ষেপে সেই বৃত্তান্ত আপনাকে বর্ণনা করছি শুনুন। ভগবান ব্রহ্মার পুত্র স্বায়ম্ভূব মনু ও তাঁর পুত্র শতরূপার দুই পুত্র প্রিয়ব্রত ও উত্তানপাদ। তাঁরা দুজনেই ভগবান বাসুদেবের অংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন! রাজা উত্তানপাদের দুই পত্নী – সুনীতি ও সুরুচি, তাঁদের মধ্যে সুরুচি রাজা উত্তানপাদের অত্যন্ত প্রেয়সী ছিলেন, কিন্তু সুনীতি নয়। সুনীতির বালক পুত্র ধ্রুব, বিমাতা সুরুচির অবহেলা ও বাক্যবাণে ক্রুদ্ধ হয়ে, অরণ্যে গিয়ে ঘোরতর তপস্যা করেছিলেন, এবং স্বয়ং ভগবান শ্রীবিষ্ণুর দর্শন ও অনুগ্রহ লাভ করেছিলেন। মহামতি ধ্রুবের দুই পত্নী ইলা ও ভ্রমি। ভ্রমির পুত্র বৎসর। বৎসরের ছয় পুত্রের মধ্যে জ্যেষ্ঠ পুত্র পুষ্পার্ণ। পুষ্পার্ণেরও ছয় পুত্রের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যুষ্ট। ব্যুষ্টের পুত্র সর্বতেজা, সর্বতেজার অন্য নাম চক্ষুঃ। এই চক্ষুর পুত্রই চাক্ষুষ মনু। চাক্ষুষ মনুর দ্বাদশ পুত্রের মধ্যে কনিষ্ঠ উল্মুক। এই উল্মুকই মহারাজ অঙ্গের পিতা”। মহর্ষি ভৃগু একটু বিরতি দিয়ে মহারাণি সুনীথার মুখের দিকে তাকালেন, মহারাণি সুনীথা বিহ্বল হয়ে শুনছিলেন, মহারাজ অঙ্গের বংশ-পরিচয়।

মহর্ষি ভৃগু বললেন, “মহারাণি, অতএব আপনি বুঝতেই পারছেন মহারাজ অঙ্গের বংশ কত মহান এবং এই বংশের প্রতি ভগবান ব্রহ্মা এবং শ্রীবিষ্ণুর পক্ষপাত ও অনুগ্রহ রয়েছে শুরুর থেকেই! অতএব আমি এই বংশের প্রতি ভগবান বিষ্ণুর আরও একবার অনুগ্রহের কথা জেনে ও শুনে এতটুকুও বিস্মিত বা বিচলিত হইনি। উপরন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভগবান স্বয়ং অবতীর্ণ হচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে আসছেন সনাতনী কমলার অংশ অবতার এবং সেই লগ্নের খুব বিলম্ব নেই আর”! মহর্ষি ভৃগুর এই কথায় কক্ষে উপস্থিত সকলেই অভিভূত হয়ে রইল। মহারাণি সুনীথা গভীর চিন্তামগ্ন হয়ে বসে পড়লেন, পুত্রের শয্যার পাশে। দাসী পদ্মবালা অবাক তাকিয়ে রইল মহর্ষি ভৃগুর দিকে।

মহর্ষি ভৃগু সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে আচার্য বিশ্ববন্ধুকে ইঙ্গিত করে, অস্ফুট স্বরে মহারাণি সুনীথাকে বললেন, “রাত্রি প্রথম প্রহর অতিক্রান্ত মহারাণি, আমাদের এখন অনুমতি দিন। আপনি বিশ্রাম করুন। অযথা দুশ্চিন্তায় এসময় নিজেকে পীড়িত করবেন না, মহারাণি, আমাদের উপর আস্থা রাখুন, যা হবে, তাতে সকলেরই মঙ্গল হবে”। মহারাণি সুনীথা কোন উত্তর দিলেন না, মাথা নেড়ে সম্মতি দিলেন। আচার্য বিশ্ববন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে, মহর্ষি ভৃগু মহারাণির কক্ষত্যাগ করে, অলিন্দ দিয়ে ধীরপায়ে হাঁটতে লাগলেন, সদরের দিকে।


চলবে... 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নতুন পোস্টগুলি

ধর্মাধর্ম - ৪/৯

 ধর্মাধর্ম প্রথম পর্বের শুরু -  "  ধর্মাধর্ম - ১/১  " ধর্মাধর্ম দ্বিতীয় পর্বের শুরু - "  ধর্মাধর্ম - ২/১   " ধর্মাধর্ম ত...