শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গীতা - ১৬শ পর্ব

  এই সূত্রে - "  ঈশোপনিষদ 

এই সূত্র থেকে শুরু - " কঠোপনিষদ - ১/১ "

এই সূত্র থেকে শুরু - " কেনোপনিষদ - খণ্ড ১ ও ২ " 

এই সূত্র থেকে শুরু - " শ্রীশ্রী চণ্ডী - পর্ব ১ " 

এই সূত্র থেকে শুরু - " গীতা - ১ম পর্ব "



এর আগের পঞ্চদশ অধ্যায়ঃ পুরুষোত্তমযোগ পাশের সূত্রে গীতা - ১৫শ পর্ব "


ষোড়শ অধ্যায়ঃ দৈবাসুর-সম্পদ-বিভাগযোগ

১-৩

শ্রীভগবানুবাচ

অভয়ং সত্ত্বসংশুদ্ধির্জ্ঞানযোগব্যবস্থিতিঃ।

দানং দমশ্চ যজ্ঞশ্চ স্বাধ্যায়স্তপ আর্জবম্‌।। ১

অহিংসা সত্যমক্রোধস্ত্যাগাঃ শান্তিরপৈশুনম্‌।

দয়া ভূতেষ্বলোলুপ্ত্বং মার্দবং হ্রীরচাপলম্‌।। ২

তেজঃ ক্ষমাঃ ধৃতিঃ শৌচমদ্রোহো নাতিমানিতা।

ভবন্তি সম্পদং দৈবীমভিজাতস্য ভারত।। ৩

শ্রীভগবান উবাচ

অভয়ং সত্ত্ব-সংশুদ্ধিঃ জ্ঞান-যোগ-ব্যবস্থিতিঃ।

দানং দমঃ চ যজ্ঞঃ চ স্বাধ্যায়ঃ তপঃ আর্জবম্‌।। ১

অহিংসা সত্যম্‌ অক্রোধঃ ত্যাগাঃ শান্তিঃ অপৈশুনম্‌।

দয়া ভূতেষু অলোলুপ্ত্বং মার্দবং হ্রীঃ অচাপলম্‌।। ২

তেজঃ ক্ষমাঃ ধৃতিঃ শৌচম্‌ অদ্রোহঃ ন অতিমানিতা।

ভবন্তি সম্পদং দৈবীম্‌ অভিজাতস্য ভারত।। ৩

শ্রীভগবান বললেন- যাঁরা দৈবী বিভূতি লাভের জন্য জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের নির্ভয়, চিত্তের শুদ্ধি, জ্ঞান ও যোগে নিষ্ঠা, দান, ইন্দ্রিয়ের সংযম, যজ্ঞ, বেদ ও অন্যান্য শাস্ত্র পাঠ, তপস্যা, সরলতা, অহিংসা, সত্য, ক্রোধকে জয় করা, ত্যাগ, শান্তি, পরনিন্দা না করা, সর্বজীবে দয়া, নির্লোভী, কুটিলতা ত্যাগ, কুকর্মে লজ্জা, অচপলতা, তেজ, ক্ষমা, ধৈর্য, মানসিক ও শারীরিক শুচিতা, বিনয় ও অহংকারহীনতা – এই সকল সদ্‌গুণরূপ সম্পদ লাভ হয়ে থাকে।

[দৈবী – দেবযোগ্য, সাত্ত্বিক]

 

দম্ভো দর্পোঽভিমানশ্চ ক্রোধঃ পারুষ্যমেব চ।

অজ্ঞানং চাভিজাতস্য পার্থ সম্পদমাসুরীম্‌।।

দম্ভঃ দর্পঃ অভিমানঃ চ ক্রোধঃ পারুষ্যম্‌ এব চ।

অজ্ঞানং চ আভিজাতস্য পার্থ সম্পদম্‌ আসুরীম্‌।।

হে পার্থ, দম্ভ, দর্প, অহংকার, ক্রোধ, নিষ্ঠুরতা ও অজ্ঞান বিবেকহীনতা থেকেই ব্যক্তি আসুরী অবস্থা লাভ করে থাকে।

   

দৈবী সম্পদ্বিমোক্ষায় নিবন্ধায়াসুরী মতা।

মা শুচঃ সম্পদং দৈবীমভিজাতোঽসি পাণ্ডব।।

দৈবী সম্পৎ বিমোক্ষায় নিবন্ধায়া আসুরী মতা।

মা শুচঃ সম্পদং দৈবীম্‌ অভিজাতঃ অসি পাণ্ডব।।

বলা হয়ে থাকে, দৈবী সদ্‌গুণ সংসারের বন্ধন থেকে পরমমুক্তির উপায় এবং আসুরীগুণ সংসারের বন্ধনের কারণ। হে পাণ্ডুপুত্র অর্জুন, দুঃখ করো না, তুমি দৈবী সম্পদ নিয়েই জন্ম গ্রহণ করেছ।

 

দ্বৌ ভূতসর্গৌ লোকেঽস্মিন্‌ দৈব আসুর এব চ।

দৈবো বিস্তরশঃ প্রোক্ত আসুরং পার্থ মে শৃণু।।

দ্বৌ ভূত-সর্গৌ লোকে অস্মিন্‌ দৈবঃ আসুরঃ এব চ।

দৈবঃ বিস্তরশঃ প্রোক্ত আসুরং পার্থ মে শৃণু।।

হে পার্থ, এই জগতে দৈব এবং আসুর, এই দুই প্রকার স্বভাবেরই জীব ও মানুষ সৃষ্টি হয়েছে। দেবসুলভ মানুষের কথা তোমাকে আগেই সবিস্তারে আমি বলেছি, এখন অসুরসুলভ মানুষের কথা বলছি, শোন। 

 

প্রবৃত্তিঞ্চ নিবৃত্তিঞ্চ জনা ন বিদুরাসুরাঃ।

ন শৌচং নাপি চাচারো ন সত্যং তেষু বিদ্যতে।।

প্রবৃত্তিং চ নিবৃত্তিং চ জনা ন বিদুঃ আসুরাঃ।

ন শৌচং ন অপি চ আচারঃ ন সত্যং তেষু বিদ্যতে।।

আসু্রী মানুষের না ধর্মে প্রবৃত্তি থাকে, না অধর্মের নিবৃত্তি জানে। তাদের শুচিতা থাকে না, সদাচার থাকে না, এমনকি সত্যও থাকে না। 

 

অসত্যমপ্রতিষ্ঠং তে জগদাহুরনীশ্বরম্‌।

অপরস্পরসম্ভূতং কিমন্যৎ কামহৈতুকম্‌।।

অসত্যম্‌ অপ্রতিষ্ঠং তে জগৎ আহুঃ অনীশ্বরম্‌।

অপরঃ-পর-সম্ভূতং কিম্‌ অন্যৎ কামহৈতুকম্‌।।

তারা বলে, জগৎ মিথ্যা, এখানে ধর্ম বা অধর্মের কোন সংস্থান নেই এবং ঈশ্বরও নেই। এই জগৎ সৃষ্টিতে স্ত্রী ও পুরুষের পারষ্পরিক কাম সংযোগ ছাড়া আর কি কারণ থাকতে পারে? 

 

এতাং দৃষ্টিমবষ্টভ্য নষ্টাত্মানোঽল্পবুদ্ধয়ঃ।

প্রভবন্ত্যুগ্রকর্মণঃ ক্ষয়ায় জগতোঽহিতাঃ।।

এতাম্‌ দৃষ্টিম্‌ অবষ্টভ্য নষ্ট-আত্মানঃ-অল্পবুদ্ধয়ঃ।

প্রভবন্তি-উগ্রকর্মণঃ ক্ষয়ায় জগতঃ-অহিতাঃ।।

বিকৃত আত্মা, স্বল্পবুদ্ধি ও নিষ্ঠুর কর্মা এই ব্যক্তিরা, এই দর্শন অনুসরণ ক’রে, জগতের অমঙ্গল ও বিনাশের জন্যেই জন্মগ্রহণ করে।

 

১০

কামমাশ্রিত্য দুষ্পূরং দম্ভমানমদান্বিতাঃ।

মোহাদ্‌ গৃহীত্বাঽসদ্‌গ্রাহান্‌ প্রবর্তন্তেঽশুচিব্রতাঃ।।

কামম্‌ আশ্রিত্য দুষ্পূরং দম্ভ-মান-মদ-অন্বিতাঃ।

মোহাৎ গৃহীত্বা অসদ্‌গ্রাহান্‌ প্রবর্তন্তে অশুচিব্রতাঃ।।

মনে অপূরণীয় কামনা নিয়ে, তারা অহংকার, অভিমান এবং ঈর্ষায় সংযুক্ত থাকে আর বিবেকহীন অন্ধ মোহে তারা বীভৎস কর্মে লিপ্ত হয়।

 

১১

চিন্তামপরিমেয়োঞ্চ প্রলয়ান্তামুপাশ্রিতাঃ।

কামোপভোগপরমা এতাবদিতি নিশ্চিতাঃ।।

চিন্তাম্‌ অপরিমেয়াং চ প্রলয়ান্তাম্‌ উপাশ্রিতাঃ।

কাম-উপভোগ-পরমা এতাবৎ ইতি নিশ্চিতাঃ।।

তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, কাম উপভোগই জীবনের পরমকর্ম, আর এই চিন্তাতেই মৃত্যু পর্যন্ত তারা সীমাহীন সময় পার করে দেয়।

 

১২

আশাপাশশতৈর্বদ্ধাঃ কামক্রোধপরায়ণাঃ।

ঈহন্তে কামভোগার্থমন্যায়েনার্থসঞ্চয়ান্‌।।

আশা-পাশ-শতৈঃ-বদ্ধাঃ কাম-ক্রোধপরায়ণাঃ।

ঈহন্তে কাম-ভোগ-অর্থম্‌ অন্যায়েন অর্থসঞ্চয়ান্‌।।

আশার অজস্র বন্ধনে আবদ্ধ এবং কাম ও ক্রোধের বশীভূত এই সব ব্যক্তি, বিষয় কামনা চরিতার্থ করার জন্যে অসৎ উপায়ে অর্থ সঞ্চয়ের চেষ্টা করে।

 


১৩

ইদমদ্য ময়া লব্ধমিদং প্রাপ্স্যে মনোরথম্‌।

ইদমস্তীদমপি মে ভবিষ্যতি পুনর্ধনম্‌।

ইদম্‌ অদ্য ময়া লব্ধম্‌ ইদং প্রাপ্স্যে মনোরথম্‌।

ইদম্‌ অস্তি ইদম্‌ অপি মে ভবিষ্যতি পুনর্ধনম্‌।

 ‘আজ আমার এই লাভ হয়েছে, আমার মনোমত এই বিষয় কাল পাবো। আজ আমার এই সম্পদ আছে, আরো সম্পদ আমি ভবিষ্যতে লাভ করবো’

 

১৪

অসৌ ময়া হতঃ শত্রুর্হনিষ্যে চাপরানপি।

ঈশ্বরোঽহমহং ভোগী সিদ্ধোঽহং বলবান্‌ সুখী।।

অসৌ ময়া হতঃ শত্রুঃ হনিষ্যে চ অপরান্‌ অপি।

ঈশ্বরঃ অহম্‌ অহং ভোগী সিদ্ধঃ অহং বলবান্‌ সুখী।।

 ‘আজ এই শত্রুকে আমি হত্যা করেছি, অন্য শত্রুদেরও আমি বিনাশ করবো। আমিই সর্ব নিয়ন্তা ঈশ্বর, আমিই ভোগী, আমিই সফল সিদ্ধ পুরুষ। আমি শক্তিশালী, আমি সুখী’।

 

১৫

আঢ্যোঽভিজানবানস্মি কোঽন্যোঽস্তি সদৃশ ময়া।

যক্ষ্যে দাস্যামি মোদিষ্য ইত্যজ্ঞানবিমোহিতাঃ।।

আঢ্যঃ অভিজানবান্‌ অস্মি কঃ অন্যঃ অস্তি সদৃশ ময়া।

যক্ষ্যে দাস্যামি মোদিষ্য ইতি অজ্ঞান-বিমোহিতাঃ।।

 ‘আমি ধনী ও উচ্চবংশ জাত, আমার সমান আর কে আছে? আমিই যজ্ঞ করবো, দান করবো আবার আনন্দও করবো’, এই সমস্ত অজ্ঞানের জন্যেই বিবেকহীন ব্যক্তিরা মুগ্ধ হয়। 

 

১৬

অনেকচিত্তবিভ্রান্তা মোহজালসমাবৃতাঃ।

প্রসক্তাঃ কামভোগেষু পতন্তি নরকেঽশুচৌ।

অনেক-চিত্ত-বিভ্রান্তাঃ মোহ-জাল-সমাবৃতাঃ।

প্রসক্তাঃ কামভোগেষু পতন্তি নরকে অশুচৌ।

এই রকম বহু কামনায় বিক্ষিপ্ত, মোহ জালে ঢাকা, বিষয়-বাসনা ভোগে আসক্ত যার মন, সে অপবিত্র কুৎসিত নরকে পতিত হয়।

 

১৭

আত্মসম্ভাবিতাঃ স্তব্ধা ধনমানমদান্বিতাঃ।

যজন্তে নামযজ্ঞৈস্তে দম্ভেনাবিধিপূর্বকম্‌।।

আত্মসম্ভাবিতাঃ স্তব্ধা ধন-মান-মদ-অন্বিতাঃ।

যজন্তে নামযজ্ঞৈঃ তে দম্ভেন অবিধিপূর্বকম্‌।।

নিজেকেই যে ব্যক্তি মহৎ ভাবে, দুর্বিনীত এবং অর্থগৌরবে অহংকারী সেই দাম্ভিক ব্যক্তি, শাস্ত্র নিয়ম না মেনে যে যজ্ঞ করে, সে যজ্ঞ নামমাত্র।

 

১৮

অহঙ্কারং বলং দর্পং কামং ক্রোধঞ্চ সংশ্রিতাঃ

মামাত্মপরদেহেষু প্রদ্বিষন্তোঽভ্যসূয়কাঃ।।

অহঙ্কারং বলং দর্পং কামং ক্রোধং চ সংশ্রিতাঃ

মাম্‌ আত্মপরদেহেষু প্রদ্বিষন্তঃ অভ্যসূয়কাঃ।।

অহংকার, উৎপীড়নের ক্ষমতা, দর্প, কাম ও ক্রোধে আচ্ছন্ন ব্যক্তি সাত্ত্বিক ব্যক্তিদের দোষবিচার করে এবং সমস্ত দেহের পরমাত্মা স্বরূপ আমাকেই অবজ্ঞা করে।

 

১৯

তানহং দ্বিষতঃ ক্রূরান্‌ সংসারেষু নরাধমান্‌।

ক্ষিপাম্যজস্রমশুভানাসুরীষ্বেব যোনিষু।।

তান্‌ অহং দ্বিষতঃ ক্রূরান্‌ সংসারেষু নরাধমান্‌।

ক্ষিপামি অজস্রম্‌ অশুভান্‌ আসুরীষু এব যোনিষু।।

এই সমস্ত সাধু বিদ্বেষী, নিষ্ঠুর, সংসারের অমঙ্গলকারী নিকৃষ্ট নরাধমকে আমি বারবার আসুর যোনিতে নিক্ষেপ করি।

 

২০

আসুরীং যোনিমাপন্না মূঢ়া জন্মনি জন্মনি।

মামপ্রাপ্যৈব কৌন্তেয় ততো যান্ত্যধমাং গতিম্‌।।

আসুরীং যোনিম্‌ আপন্না মূঢ়া জন্মনি জন্মনি।

মাম্‌ অপ্রাপ্য এব কৌন্তেয় ততঃ যান্তি অধমাং গতিম্‌।।

হে কুন্তীপুত্র, এই রূপ মূর্খব্যক্তি জন্মে জন্মে আসুরী যোনিতেই জন্ম লাভ করে এবং আমাকে লাভ করা দূরে থাক, তারা আরও নীচ জন্ম লাভ করে।

 

২১

ত্রিবিধং নরকস্যেদং দ্বারং নাশনমাত্মনঃ।

কামঃ ক্রোধস্তথা লোভস্তস্মাদেতত্রয়ং ত্যজেৎ।।

ত্রিবিধং নরকস্য ইদং দ্বারং নাশনম্‌ আত্মনঃ।

কামঃ ক্রোধঃ তথা লোভঃ তস্মাৎ এতত্রয়ং ত্যজেৎ।।

কাম, ক্রোধ এবং লোভ – নরকের এই তিন প্রকার দ্বার জীবাত্মাকে নীচ পথে চালনা করে। কাজেই এই তিনটি দোষকে সর্বদা ত্যাগ করা উচিৎ।  

 

২২

এতৈর্বিমুক্তঃ কৌন্তেয় তমোদ্বারৈস্ত্রিভির্নরঃ।

আচরত্যাত্মনঃ শ্রেয়স্ততো যাতি পরাং গতিম্‌।।

এতৈঃ বিমুক্তঃ কৌন্তেয় তমোদ্বারৈঃ ত্রিভিঃ নরঃ।

আচরতি আত্মনঃ শ্রেয়ঃ ততঃ যাতি পরাং গতিম্‌।।

এই নরকের দ্বার স্বরূপ তিন তমোগুণ থেকে বিমুক্ত হলে, মানুষ নিজের মঙ্গল আচরণে সমর্থ হয় এবং তারপর পরমমোক্ষ লাভ করে। 

 

২৩

যঃ শাস্ত্রবিধিমুৎসৃজ্য বর্ততে কামকরতঃ।

ন স সিদ্ধিমবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্‌।।

যঃ শাস্ত্রবিধিম্‌ উৎসৃজ্য বর্ততে কামকরতঃ।

ন স সিদ্ধিম্‌ অবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্‌।।

যে শাস্ত্র বিধি না মেনে নিজের ইচ্ছামতো কর্মে প্রবৃত্ত হয়, সে ব্যক্তি না সিদ্ধিলাভ করে, না সুখ পায় এবং পরম মুক্তিও লাভ করতে পারে না।

 

২৪

তস্মাচ্ছাস্ত্রং প্রমাণং তে কার্যাকার্যব্যবস্থিতৌ।

জ্ঞাত্বা শাস্ত্রবিধানোক্তং কর্ম কর্তুমিহার্হসি।।

তস্মাৎ শাস্ত্রং প্রমাণং তে কার্য-অকার্য-ব্যবস্থিতৌ।

জ্ঞাত্বা শাস্ত্র-বিধান-উক্তং কর্ম কর্তুম ইহ অর্হসি।।

অতএব শাস্ত্রই হল তোমার কর্তব্য এবং অকর্তব্য কর্মের একমাত্র প্রমাণ, কাজেই শাস্ত্রে বর্ণিত বিধি নিষেধ মেনেই কর্তব্য কর্ম করো।

 দৈবাসুর-সম্পদ-বিভাগযোগ সমাপ্ত


চলবে...।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নতুন পোস্টগুলি

গীতা - ১৬শ পর্ব

  এই সূত্রে - "    ঈশোপনিষদ   "  এই সূত্র থেকে শুরু - "  কঠোপনিষদ - ১/১  " এই সূত্র থেকে শুরু - "  কেনোপনিষদ - খণ্ড...