এর আগের ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " সুরক্ষিতা - পর্ব ১ "
অন্যান্য সম্পূর্ণ উপন্যাস - " এক দুগুণে শূণ্য "
আরেকটি ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " এক যে ছিলেন রাজা - ১ম পর্ব "
"বিপ্লবের আগুন" ধারাবাহিক উপন্যসের শুরু - " বিপ্লবের আগুন - পর্ব ১ "
১২
“সদর দরজা
থেকে বাইরের ঘরে ঢুকতেই আমার শ্বশুর দেখলাম আমার অপেক্ষাতেই যেন দাঁড়িয়ে আছেন।
আমার দিকে তাকিয়ে চশমাটা খুলে, করজোড়ে বললেন,
“আমরা তোমার সঙ্গে অন্যায় করেছি, মা। ভয়ংকর ভুল করেছি আমরা”।
“আপনি
পিতৃতুল্য, আমার সামনে হাতজোড় করবেন না, প্লিজ। ভুল যে হয়েছে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ
নেই, কিন্তু এখন তো সে নিয়ে অনুশোচনা করে লাভ নেই, বাবা। আমাদের উচিৎ সেই ভুলটাকে
কী করে শোধরানো যায়, সেই চিন্তা করা”। কথাটা শেষ হতেই দেখলাম ভেতরের দিকে যাওয়ার দরজায়
দাঁড়িয়ে রয়েছে শাশুড়ি।
ঝনঝন করে তিনি
ঝাঁজিয়ে উঠে বললেন, “ছেলের বউয়ের সামনে হাতজোড় করে নাটুকে নাকে-কান্না কেঁদে তুমি
এখন ভালো সাজছ? তোমার পয়সায়, তোমার আয়োজনে, তোমার গুণধর ছেলের এই বিয়ে হল, আর আজ
পনেরদিনের মধ্যেই তোমার মনে হল অন্যায় হয়ে গেছে?”
শ্বশুরমশাই
বললেন, “তোমাদের সক্কলকে বলেছিলাম - পইপই করে বলেছিলাম, ওকে কোন রিহ্যাবে রেখে নেশা
ছাড়িয়ে, সুস্থ করে, তারপর বিয়েটা হোক। তুমিই বলেছিলে ছেলেদের অমন একটু-আধটু উড়ুনচণ্ডিপনা
বিয়ের আগে থাকে। বিয়ের জল গায়ে পড়লেই সব ঠিক হয়ে যাবে। বলনি?”
“বলেছিলে তো
নিয়ে যাওনি কেন, তোমার ওই গুষ্টির পিণ্ডি রিহ্যাবে? তোমার হাতে-পায়ে কেউ দড়ি বেঁধে
রেকে দিয়েছিল... সব কি আমাকেই করতে হবে...”।
এই জঘন্য
বিতণ্ডার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে আমার ঘৃণা হচ্ছিল। আমি শাশুড়ির পাশ কাটিয়ে শোবার ঘরে
ঢুকলাম। দেখলাম পিন্টু উঠে বসেছে, আমাকে ঢুকতে দেখে লজ্জায় মাথা নামাল, বলল, “সরি
সুকু, এক্সট্রিমলি সরি, আর কখনো এমন হবে না। দেখে নিও, প্রমিস”।
আমি কোন
উত্তর না দিয়ে, রান্নাঘরে গেলাম। খুঁজে পেতে লেবু, নুন, চিনি বের করে, একগ্লাস
সরবৎ বানিয়ে নিয়ে এলাম পিন্টুর জন্যে, বললাম, “ধরো, এটা খেয়ে নাও, ভালো লাগবে”।
তখনও কানে আসছিল শ্বশুর-শাশুড়ির বাক-যুদ্ধ।
সুবোধ
বালকের মতো গ্লাসটা খালি করে আমার মুখের দিকে তাকাল, পিন্টু। আমি খালি গ্লাসটা
হাতে নিয়ে বললাম, “এবার সোজা টয়লেটে ঢুকে পড়ো, জামা-প্যান্ট ছেড়ে চান-টান করে
ফ্রেশ হয়ে নাও”।
পিন্টু উঠল,
মিনমিনে সুরে বলল, “তুমি রাগ করনি তো?”
“খুশি হওয়ার
মতো কিছু করেছ, বলে তোমার মনে হচ্ছে?”
পিন্টু কথা
বাড়াল না আর, কাচা পাজামা-পাঞ্জাবি নিয়ে টয়লেটে ঢুকল। আমি দ্রুত হাতে, বিছানার
চাদর বালিশের ওয়াড় সব তুলে ফেলে নতুন করে বিছানা সাজালাম। দুটো ধূপ জ্বেলে ঘরের দু
কোণে রাখলাম। সব মিলিয়ে ঘরের পরিবেশটা মন্দের ভাল হল।
এভাবেই শুরু হল আমার দাম্পত্য জীবনটা, সুনুদা।
স্বাভাবিক
অবস্থায় পিন্টু কিন্তু খুব খারাপ মানুষ ছিল না। ইঞ্জিনিয়ার কিন্তু কাঠখোট্টা নয়,
নানান রকমের বই পড়ার অভ্যেস ছিল, গান-টান ভালোবাসে। রবীন্দ্রসঙ্গীতের ভক্ত।
ঠাট্টা, ইয়ার্কিতেও খারাপ নয়, ভদ্রজনোচিত রসিক বলা যায়। কিন্তু তার এই চরিত্রটা ছিল
ক্ষণস্থায়ী, অনেকটা সূর্যোদয় – সূর্যাস্তের মতো। অর্থাৎ সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে তার
দেহের শিরায় শিরায় যেন তৃষ্ণার হাহাকার উঠত – কোথা গেলে পাই, কোথায় জুড়াই, দগ্ধ প্রাণের
তিয়াসা...। এটা কোথায় শুনেছিলাম, বা পড়েছিলাম মনে নেই এবং যদ্দূর মনে পড়ছে গানটা ভগবদ্ভক্তির
নেশায় গাওয়া বা লেখা। সে গানের আমি ভয়ংকর অপপ্রয়োগ করলাম জানি। কিন্তু আমার জীবনে
আমি বুঝেছি, একজন নেশাখোরের কাছে মদের বোতলই ঈশ্বর, বাকি সব মায়া। তার কাছে
বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান, ঈশ্বর-দেবতা কিচ্ছু না – কিছুই না।
আরেকটা কথা
বলি পিন্টু ভালো থাকুক এটা ওর মা চাইতেন না, হয়তো এটা তাঁর মানসিক ব্যাধি বিশেষ।
দু’দিন বা তিনদিন পরপর পিন্টু অফিস করে নেশা না করে বাড়ি ফিরলে (আমি বুঝতে পারতাম,
নেশার গ্রাস থেকে মুক্ত করতে নিজের সঙ্গে কতখানি যুঝে চলেছে ও) ওর মায়ের গাত্রদাহ
হত। ছেলে বুঝি বউয়ের আঁচলে বাঁধা পড়ে গেল, স্ত্রৈণ হয়ে গেল ছেলে। বিশ্বাস করবে না
হয়তো, কিন্তু আমার প্রতি অদ্ভূত এক ঈর্ষার আগুন জ্বলতে দেখেছি ওঁর চোখে। আমার
আড়ালে উনি ছেলেকে কি মন্ত্র বা মন্ত্রণা দিতেন জানি না, দেখা যেত পরের দিনই সে
নেশা করে বেশ রাত করে বাড়ি ফিরত। গর্বিত আনন্দে শাশুড়িকে এক-দুবার জনান্তিকে বলতেও
শুনেছি, পুরুষমানুষ একটু-আধটু নেশা-ভাঙ না করলে আবার পুরুষ কিসের?
পিন্টুর
বাবা ছিলেন স্বাভাবিক স্বভাবের মানুষ, সন্ধের পরে পরে সুস্থ অবস্থায় পিন্টু বাড়ি
ফিরলে বড়ো আনন্দ পেতেন। উঁচু গলায় হাঁক পাড়তেন – “বৌমা, পিন্টু এসে পড়েছে, দু’কাপ
চা করো তো, দুজনে মিলে বেশ আরাম করে খাই”। স্বামীর আনন্দে আমার শাশুড়ির মুখে নামত কালো
মেঘের ছায়া। আমার দাম্পত্য নিয়ে আমি অস্থির ছিলাম, সুনুদা, কিন্তু পিন্টুর বাবা-মায়ের
দাম্পত্যের রহস্যটা কোনদিন আমার মাথায় ঢোকেনি। সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর মানসিকতা
নিয়ে এই দুই মানুষ কিভাবে কাটিয়ে দিলেন এতগুলি বছর? পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা
নাকি বীভৎস বঞ্চনা ও অত্যাচারের শিকার। অথচ এই পুরুষটি জীবনের অধিকাংশ সময়টাই
কাটিয়ে দিলেন, নিজের স্বভাববিরুদ্ধ কাজের বাধ্যতা নিয়ে – এটাকেই কী অ্যাডজাস্টমেন্ট
বলে, সুনুদা?
দাম্পত্যের
এই দ্বন্দ্বের মধ্যেও অনেকেরই সন্তান হয়, আমারও হল, বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর। প্রসবের
আগে আমি মা-বাবার কাছে ছিলাম, প্রায় মাস তিনেক। অফিস ছুটির পর প্রথম প্রথম পিন্টু ও বাড়িতে প্রায়
রোজই যেত। ধীরে ধীরে ও বাড়িতে তার উপস্থিতির হার কমতে লাগল। পাঁচ-সাতদিন পর পর ও যখন
আসত – ওর চেহারা দেখেই বুঝতাম – ও আবার নেশা শুরু করেছে।
নার্সিং
হোমে যেদিন ভর্তি হলাম, তার পরের দিন সকালে আমার পুত্র সন্তানের জন্ম হল। আমার মা
বললেন, “ছেলে অবিকল তোর মুখ পেয়েছে, সুকু, মাতৃমুখী ছেলে খুব সুখী হয়। আর পিন্টুর
মা বললেন, “আহা, শৈশবের পিন্টুর মুখটাই যেন বসানো তোমার ছেলের মুখে, বৌমা”।
পিন্টু এল
একটু বিকেল করে। আমার বেডের কাছাকাছি আসা মাত্র আমার মনটা বিতৃষ্ণায় ভরে উঠল। বাবাকে
আনন্দ করে তার ছেলে দেখাতে গিয়ে, আমার সিস্টারও টের পেলেন সেই শিশুর পিতা
মদ্যাসক্ত। সেও নাক-মুখ কুঁচকে ওর দিকে তাকাল, আমার দিকেও একবার, বলল, “পেশেন্টের
ঘরে বেশিক্ষণ থাকবেন না...”।
পিন্টু আমার
কাছে এসে বলল, “আমি সরি, সুকু...”।
দাঁতে দাঁত
চেপে আমি চাপা গলায় হিসহিসিয়ে উঠলাম ক্রোধে, বললাম “কত হাজার বার, কত লক্ষ বার
সরি, বলবে তুমি? একপেট মদ গিলে এসেছ, প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে?”
“ওরা, জোর
করল খুব...কিছুতেই না করতে পারলাম না...”।
তীব্র ঘৃণা
আর বিবমিষায় মুখ ঘুরিয়ে রইলাম আমি। পিন্টু বেবি-কটের দিকে যেতেই, আমি আবার ফোঁস
করে উঠলাম, “আমার বাচ্চার গায়ে তুমি হাত দেবে না... বেরিয়ে যাও...”।
দুপায়ে
দাঁড়ানো সরীসৃপ আমি কোনদিন দেখিনি, আদৌ আছে কিনা জানি না। কিন্তু সেদিন দেখলাম,
সেই নার্সিং হোমের ঘরে, আমার সামনে। পিন্টু আস্তে আস্তে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। সিসটার
বোধহয় অপেক্ষা করছিলেন, পিন্টূ বেরিয়ে যেতেই ঘরে এলেন, তারপর রুম ফ্রেশনার ছড়িয়ে
দিলেন ঘরের চারদিকে। বললেন, “বড়দির ভিজিটের সময় হয়ে গেছে, ঘরের মধ্যে ঢুকে এরকম
বিশ্রী গন্ধ পেলে তিনি কুরুক্ষেত্র বাধাবেন, ম্যাডাম”।
ওঁর বড়দি মানে
আমার ডাক্তার ম্যাডাম, আমার মায়ের থেকেও বয়স্কা মহিলা। মায়ের মুখে শুনেছি, আমার
জন্মও ওঁনার হাতেই হয়েছিল। ওঁনার ওপরে আমার বাবা-মায়ের অনন্ত ভরসা ও বিশ্বাস। পেশেন্টদের
উনি যেমন স্নেহ করেন, তেমনি অবাধ্য হলে, বা কোন কারণে বিরক্ত হলে পেশেন্টের ধুলো
ঝেড়ে দিতে এতটুকু দ্বিধা করেন না।
পিন্টু
বেরিয়ে যাওয়ার মিনিট পনের পরে ঘরে এলেন, পিন্টুর বাবা-মা। শ্বশুরমশাই আমার মুখের
দিকে তাকিয়ে হাসি মুখে বললেন, “কেমন আছিস, মা?” কিন্তু আমি সে কথার উত্তর দেওয়ার
আগেই, খরখরে গলায়, পিন্টুর মা বললেন, “পিন্টুটা অফিস থেকে তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে, তার
ছেলের মুখ দেখতে এল, তাকে তুমি কিনা দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলে? ছি ছি ছিঃ”।
রাগে ও
ঘৃণায় আমার মাথা ঝনঝন করে উঠল, বললাম, “তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে সে বন্ধুদের নিয়ে মদ
খেতে গিয়েছিল, মা। এক পেট মদ গেলার পর হঠাৎ তার পিতৃত্ব জেগে ওঠায়, সে এখানে এসেছিল”।
বেবিকটের
সামনে দাঁড়িয়ে সিস্টার আমার পুত্রের ন্যাপি পরীক্ষা করছিলেন, তিনি বেশ রূঢ় কণ্ঠে বললেন,
“এখানে জোরে কথা বলবেন না, এটা নার্সিং হোম”।
আগুন ঝরানো
চোখে শাশুড়িমা আমার দিকে একবার তাকিয়ে, বাইরে বেরিয়ে গেলেন। শ্বশুরমশাই আমার কাছে
এসে, আমার মাথায় হাত রেখে খুব নীচু স্বরে বললেন, “ভালো আছিস তো, মা?”
আমি ঘাড়
নেড়ে বললাম, ভালো আছি।
“কিন্তু...কিন্তু
এরা তোকে, ভালো থাকতে যে দেবে না, মা...তিল তিল করে তোকে শেষ করে ফেলবে...”। আমি অবাক
হয়ে তাঁর দুই চোখের দিকে তাকালাম। নিজের ছেলে আর স্ত্রী সম্পর্কে মনে কতখানি
বিতৃষ্ণা থাকলে এমন কথা “পরের মেয়ে”-কে বলা যায়, তুমি বলো তো, সুনুদা? সিসটার-মহিলাও
তাঁর দিকেই তাকিয়েছিলেন, তাঁর দু চোখেও এখন মমতা।
আমি কোন
উত্তর দিলাম না, উত্তরে কীই বা বলতাম? একটু পরে আমার শ্বশুরমশাই আবার বললেন, “যা
হবার তা হয়ে গেছে, সে শোধরানোর এখন আর অন্য উপায় নেই, মা। কিন্তু তুই আমার মেয়ে
হলে, এই শেকল ভেঙে আমি তোকে মুক্ত করে নিয়ে আসতাম। আর একথা... আর একথা তোর বাবাকেও
- তাঁর হাতদুটো ধরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েই, আমি বলব। আমি এখন আসছি রে মা, মন শক্ত করে
ভেবে দেখিস আমার কথাগুলো...”। এই কথা বলে তিনি দ্রুত পায়ে বেরিয়ে গেলেন ঘর থেকে। বিছানায়
শুয়ে আমার মনের মধ্যে ঝড় বইতে লাগল। উনি যে মুক্তির কথা বললেন, সেটা নিশ্চয়ই
ডিভোর্স!
কথাটা আমার
মনে যে এর আগে আসেনি তা নয় – কিন্তু বাবা-মা কী ভাববেন, আমাদের আত্মীয়-পরিজনরা কী
ভাববেন, এমনকি আমার শ্বশুরমশাইও কী মনে করবেন – এসব চিন্তা করেই কথাটা মন থেকে
মুখে আনতে পারিনি। কিন্তু আজ তো তিনিই আমাকে মুক্ত করে দিয়ে গেলেন – আমার মনে সাহস
সঞ্চারিত করলেন। আমাকে মুক্তি-পথের দিশা দেখিয়ে গেলেন।
মিনিট দশেক
পরে ডাক্তার-ম্যাডাম এলেন, মমতাময়ী মাতৃমূর্তি যেন।
“কিরে, কেমন
আছিস? মিষ্টি খাওয়াবি না? এত বড়ো প্রমোশন হল তোর?”
“প্রমোশন”?
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম।
“সে কি রে? মা
হয়ে গেলি যে। এতদিন তুই ছিলি বাবা-মায়ের মেয়ে, শ্বশুর-শাশুড়ির বৌমা, স্বামীর
স্ত্রী। গতকাল থেকে হলি বেবির মা, এটা প্রমোশন নয়? ছেলের নাম-টাম কিছু ভাবলি?” কথা
বলতে বলতেই তিনি আমার টেম্পারেচার চার্ট, কয়েকটা টেস্ট রিপোর্টে চোখ বুলিয়ে নিলেন,
আমার পাল্স্, হার্টবিট চেক করলেন, বললেন, “বাঃ পারফেক্ট মাদার। সব চিন্তা ছেড়ে
এখন ছেলের নামের কথা ভাব”। এরপর সিস্টারকে কিছু নির্দেশ দিয়ে বললেন, “চলি রে, তোর
বাবা-মা বাইরে অপেক্ষা করছেন”।
উনি বেরিয়ে
যেতেই বাবা-মা ঢুকলেন। দুজনেরই মুখ গম্ভীর থমথমে। পিন্টুর বাবা-মার সঙ্গে কি ওঁদের
নীচেয় দেখা হয়েছিল? কোন বচসা হয়েছে? পিন্টুর বাবা কি আমার বাবাকে ডিভোর্সের
পরামর্শ দিয়ে দিয়েছেন? আমি অজানা এক দুশ্চিন্তায় শঙ্কিত হলাম।
চলবে....
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন