বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

ভাগবত পুরাণ - পর্ব ৩/৫

 এই সূত্রে - "  ঈশোপনিষদ

এই সূত্র থেকে শুরু - " কঠোপনিষদ - ১/১ "

এই সূত্র থেকে শুরু - " কেনোপনিষদ - খণ্ড ১ ও ২

এই সূত্র থেকে শুরু - " শ্রীশ্রী চণ্ডী - পর্ব ১

এই সূত্র থেকে শুরু - " গীতা - ১ম পর্ব "

এই সূত্র থেকে শুরু - " ভাগবত পুরাণ - পর্ব ১/১


  আগের পর্ব - ভাগবত পুরাণ - পর্ব ৩/৪ "


  তৃতীয় স্কন্ধ - পর্ব ৫

 ব্রহ্মার সৃষ্টিকথা (আগের পর্বে শুরু হয়েছিল, তারপর...)  

এরপর ব্রহ্মা একদিন চিন্তা করতে লাগলেন, পূর্ব কল্পের মতো কিভাবে লোকসকলকে যথাযথ সৃষ্টি করব? এই রকম ভাবতে ভাবতে ব্রহ্মার চার মুখ থেকে চার বেদের সৃষ্টি হল। তাঁর চার মুখ থেকে চার যজ্ঞকারী,  হোতা, উদ্গাতা, অধ্বর্য্যু ও ব্রহ্মার সৃষ্টি হল। এই চার যজ্ঞকারীর কর্ম, কর্মতন্ত্র, অর্থাৎ যজ্ঞবিস্তার, আয়ুর্বেদ ইত্যাদি উপবেদ সকল, নীতিশাস্ত্র, ধর্মের চার পাদ, চার আশ্রম ও তার বিধি বিধান সকল সৃষ্টি হল।  এই ভাবে তিনি ঋক, সাম, যজুঃ ও অথর্ব, এই চার বেদ; আয়ুর্বেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ববেদ অর্থাৎ সঙ্গীতবিদ্যা, স্থাপত্য অর্থাৎ বিশ্বকর্মশাস্ত্রের সৃষ্টি করলেন। এরপর তিনি ইতিহাস ও পুরাণরূপ পঞ্চম বেদ সৃষ্টি করলেন। তারপর তাঁর পূর্বমুখ থেকে সৃষ্টি করলেন ষোড়শী ও উক্‌থ নামক দুইটি যজ্ঞের নিয়ম। তারপর দক্ষিণ মুখ থেকে পুরীষী ও অগ্নিষ্টোম; পশ্চিমমুখ থেকে আপ্তোর্যাম ও অতিরাত্র এবং উত্তর মুখ থেকে বাজপেয় ও গোসব নামে যজ্ঞের নিয়ম সৃষ্টি করলেন। এইভাবেই তিনি বিদ্যা, দান, তপস্যা ও সত্য ধর্মের এই চারটি পাদ সৃষ্টি করলেন।

এর পর যথাযথ বৃত্তি অনুযায়ী চারটি আশ্রম সৃষ্টি করলেন। প্রথম ব্রহ্মচর্য আশ্রমের চারটি প্রকার আছে। উপনয়নের পর ব্রহ্মচারী সংযত হয়ে যখন ত্রিরাত্রি গায়ত্রী পাঠ করেন, সেই ব্রহ্মচর্যকে বলে সাবিত্র ব্রহ্মচর্য। যখন সেই ব্রহ্মচারী সংযমের সঙ্গে একটি সম্পূর্ণ বছর ব্রত আচরণ করেন, তাকে বলে প্রাজাপত্য ব্রহ্মচর্য। ব্রহ্মচারী যতদিন সংযত থেকে বেদচর্চা করেন, তাকে ব্রাহ্ম ব্রহ্মচর্য বলে। আর আমরণ সংযত থাকলে, তাকে  বৃহৎ ব্রহ্মচর্য বলে। দ্বিতীয় গৃহস্থ আশ্রমও চার প্রকারের হয়, কৃষি ইত্যাদি বৃত্তিকে বলে বার্তাযাজন ইত্যাদি বৃত্তিকে বলে সঞ্চয়জমিতে পড়ে থাকা শস্যের শীষকে শীল বলে, যে গৃহস্থ এই শীল সংগ্রহকেই বৃত্তি করে, তাকে বলে শালীনআর জমিতে পড়ে থাকা এক একটি শস্য দানা সংগ্রহ করার যে বৃত্তি তাকে উঞ্ছ বৃত্তি বলে। তৃতীয় বাণপ্রস্থ আশ্রমেরও চার বিভাগ আছে। পতিত জমিতে গাছে পাকা ফল দিয়ে যিনি জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁকে বৈখানস বলে। যিনি নতুন অন্ন পেলে, সঞ্চিত অন্ন ত্যাগ করেন, তাঁদের বালখিল্য বলেযিনি ভোরে উঠে প্রথম যে দিক দেখেন, শুধু সেই দিক থেকেই ফল আহরণ করে জীবন ধারণ করেন, তাঁকে ঔড়ুম্বর বলে। আর যাঁরা শুধুমাত্র গাছের তলায় পড়ে থাকা ফল আহরণ করেন, তাঁদের ফেনপ বলে। চতুর্থ সন্ন্যাস আশ্রমও চার রকমের হয়। যিনি প্রধানতঃ নিজের আশ্রম অনুযায়ী ধর্মের অনুষ্ঠান করেন, তিনি কূটীচকযিনি কর্মকে গৌণ বিবেচনায়, প্রধানতঃ জ্ঞানচর্চা করেন, তিনি বহেবাদযিনি শুধুমাত্র জ্ঞানচর্চায় রত, তিনি হংস আর যিনি পরমতত্ত্ব লাভ করে নিষ্ক্রিয়ভাব ধারণ করেন, তিনি পরমহংসপ্রত্যেক আশ্রমীদের মধ্যে যাঁদের নাম পরে উল্লেখ করলাম, হে বিদুর, তাঁরা তাঁর আগের আশ্রমীদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ।

তারও পর ব্রহ্মার চার মুখ থেকে যথাক্রমে আন্বীক্ষিকী অর্থাৎ আত্মজ্ঞানরূপ মোক্ষবিদ্যা, ত্রয়ী অর্থাৎ স্বর্গ, মর্ত ও নরক লাভের কারণস্বরূপ কর্মবিদ্যা, বার্তা অর্থাৎ জীবিকার উপায় হিসাবে কৃষিবিদ্যা এবং দণ্ডনীতি অর্থাৎ রাজনীতির সৃষ্টি হল। তারপর ব্রহ্মার হৃদয় আকাশ থেকে প্রণব, রোমরাজি থেকে উষ্ণিকছন্দ, ত্বক থেকে গায়ত্রী ছন্দ, মাংস হইতে ত্রিষ্টুপছন্দ, স্নায়ু থেকে অনুষ্টুপছন্দ, অস্থি থেকে জগতী ছন্দ, মজ্জা থেকে পঙ্‌ক্তিছন্দ এবং প্রাণ থেকে বৃহতীছন্দের সৃষ্টি হল।

হে বিদুর, আগেই বলেছি মহাকল্পকালে ব্রহ্মা শব্দব্রহ্মরূপ অর্থাৎ বেদময় ছিলেন। ক হইতে ম পর্যন্ত সমস্ত স্পর্শবর্ণ তাঁর জিভ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। স্বরবর্ণের সৃষ্টি তাঁর দেহ থেকে। তাঁর ইন্দ্রিয় থেকে উষ্মবর্ণের উদ্ভব আর অন্তস্থবর্ণ সমূহ তাঁর শক্তি। তাঁর খেলার থেকে সৃষ্টি হয়েছে সুর সপ্তক – ষড়জ, ঋষভ, গান্ধার, মধ্যম, পঞ্চম, ধৈবত ও নিষাদশব্দের দুইটি রূপ, জিভ দিয়ে যার উচ্চারণ করা যায়, সেই ব্যক্তরূপে বৈখরী ও অব্যক্তরূপে প্রণব।  ব্রহ্মা শব্দব্রহ্মময় হওয়ায় তিনি উভয়রূপেই বিরাজ করেন, প্রণবরূপে তিনি অব্যক্ত পরমেশ্বর এবং ব্যক্তরূপে নানা শক্তির আধার ইন্দ্র ইত্যাদি দেবগণ।

আত্মজা সরস্বতীর রূপে মুগ্ধ হয়ে একবার ব্রহ্মা কামার্ত হয়ে পড়েনতাই দেখে তাঁর পুত্র মরীচি প্রভৃতি ঋষিগণ তাঁকে নিরস্ত করার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে, শ্রীনারায়ণের শরণ নিলেন। তাঁরা বললেন, যিনি নিজের অন্তরে অবস্থিত বিশ্বকে নিজের তেজে প্রকাশ করছেন, সেই ভগবানের কাছে আমাদের প্রার্থনা, তিনি ধর্মকেও রক্ষা করুন। শ্রীনারায়ণের কাছে সমবেত পুত্রদের এই প্রার্থনা শুনে, ব্রহ্মার চৈতন্য হল, তিনি লজ্জিত হয়ে নিজের কলঙ্কিত তনু ত্যাগ করে নিত্য বিশুদ্ধ শব্দব্রহ্ম তনু ধারণ করেছিলেন।

মরীচি প্রমুখ মহর্ষি হলেও তাঁদের প্রজা সৃষ্টির বিস্তারে ব্রহ্মা সন্তুষ্ট হতে পারলেন না, তাই তিনি আরেকবার তাঁর তনুকে দুভাগে ভাগ করলেন। ব্রহ্মার রূপের আরেক নাম, “ক”, তাই তাঁর দেহ থেকে বিভক্ত অন্য ভাগের নাম হল কায়সেই কায়ের এক অংশ হল পুরুষ, আরেক অংশ হল নারী। ওই পুরুষই স্বয়ং উদ্ভূত মনু এবং ওই স্ত্রী তাঁর মহিষী শতরূপাসেই থেকেই স্ত্রী ও পুরুষের মিলনে প্রজা সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে লাগল”

[ব্রহ্মার কীর্তি ও কুকীর্তির সীমা নেই - অথচ আমাদের এত বড়ো দেশে ব্রহ্মার মন্দির আছে সাকুল্যে মাত্র ছটি, একটি আজমীড়ে পুষ্কর সরোবরের তীরে; রাজস্থানের বারমের; খোখান, (কুলু, হিমাচল); কুম্ভকোনম (তাঞ্জাভুর, তামিলনাড়ু); পানাজি (গোয়া) এবং তিরুপাত্তুরে (তামিলনাড়ু)। এমন কীর্তিমান দেবতাকে অবহেলা করে আমরা বিষ্ণু, কৃষ্ণ আর শিবের মন্দির গড়ে তুললাম পাড়ায় পাড়ায়! অতএব আমরা ধার্মিক ও ভক্ত ঠিকই কিন্তু বোকা ভাববার কোন কারণ নেই।]  


বরাহ অবতারের পৃথিবীর উদ্ধার

শ্রী শুকদেব বললেন, “মহারাজ, বিদুর মহামুনি মৈত্রেয়র মুখে পুণ্যতম বাণী শুনে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “হে মুনিবর, স্বয়ম্ভূর পুত্র সম্রাট স্বায়ম্ভূব মনু প্রিয়া পত্নী লাভ করে কী করলেন? সেই আদিরাজ ও রাজর্ষির চরিত্র কথা শুনতে আমার অত্যন্ত ইচ্ছা হচ্ছে। তিনি শ্রীহরিকে আশ্রয় করেছিলেন, এবং জ্ঞানীরা বলেন, যাঁদের হৃদয়ে মুকুন্দের চরণপদ্ম বিরাজ করে, তাঁদের গুণের কথা শুনলে সকল শাস্ত্র পাঠের থেকেও বেশ সুফল লাভ করা যায়”শ্রীশুকদেব বললেন, “মহাত্মা বিদুরের সৌভাগ্যের সীমা নেই, তাঁর কোলে শ্রীকৃষ্ণ প্রেমভরে শ্রীচরণ স্থাপন করেছিলেন। তাঁর প্রশ্নে মহামুনি ভগবৎকথায় আনন্দপুলকিত অঙ্গে বললেন।”

শ্রীমৈত্রয় বললেন, “ব্রহ্মার শরীর থেকে স্বায়ম্ভূব মনু ও তাঁর পত্নী শতরূপার জন্মের পর, তাঁরা বেদগর্ভ ব্রহ্মাকে প্রণাম করে বললেন, “আপনি সকল ভূতের জন্মদাতা ও পালনকর্তা, অতএব আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের প্রণাম গ্রহণ করুন এবং আমাদের নির্দেশ করুন আমরা আপনার কি সেবা করতে পারি এবং কী ধরনের কর্ম অনুষ্ঠান করলে জগতে আমাদের যশ ও পরলোকে সদ্গতি লাভ করা সম্ভব”

প্রজাপতি ব্রহ্মা তাঁদের আশীর্বাদ করে বললেন, “হে বৎস, তোমাদের দুজনের মঙ্গল হোক। তোমাদের এই কথায় আমি অত্যন্ত প্রীত হয়েছি। কারণ পিতার প্রতি পুত্রের এইরকম শ্রদ্ধাই থাকা উচিৎ। কখনো পিতার আদেশ এবং নির্দেশ কেন পালন করব, এমন চিন্তা মনে স্থান দেওয়াও বিধেয় নয়। হে পুত্র তুমি তোমার পত্নীর গর্ভে তোমার মতোই গুণসম্পন্ন সন্তান সৃষ্টি করো, রাজধর্ম অনুযায়ী প্রজাপালন করো এবং যজ্ঞের অনুষ্ঠান করে শ্রী বিষ্ণুর আরাধনা করো। তোমার প্রজাপালন ও প্রজারক্ষাতেই আমার  প্রতি তোমার সেবা সম্পূর্ণ হবে, ভগবান জনার্দনও তোমার প্রতি প্রসন্ন থাকবেন” 

এই কথায় স্বারম্ভূব মনু বললেন, “হে বেদগর্ভ পিতা, আপনার আদেশ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। কিন্তু সকল ভূতের বাসস্থান যে ধরিত্রীদেবী, তিনি এখন মহাসাগরের তলায় বন্দিনী। তাঁর উদ্ধার না হলে আমরা থাকব কোথায়, আর কোথায় থাকবে আমার প্রজারা? আপনি দয়া করে, তাঁর উদ্ধারের উপায় দেখুন”

গভীর উদ্বিগ্ন মুখে ব্রহ্মা বললেন, “আমি যখন পৃথিবীর সৃষ্টি করছিলাম, সেই সময় হঠাৎ প্লাবনে পৃথিবী রসাতলে চলে গেছে। আমি এই বিপদের থেকে উদ্ধারের জন্যে করুণাসিন্ধু শ্রীবিষ্ণু ছাড়া আর কার সাহায্য পেতে পারি? একমাত্র তিনিই আমাদের এই পৃথিবীকে উদ্ধার করতে পারেন”এই চিন্তায় যখন তিন ব্যাকুল, সেই সময় তাঁর নাক থেকে বেরিয়ে এল, ছোট্ট আঙুলের মতো এক বরাহ মূর্তি। সেই বরাহ মূর্তি দেখতে দেখতে পাহাড়ের মতো বিশাল আকার ধারণ করল।

এই আশ্চর্য ঘটনায় ব্রহ্মা ও তাঁর পুত্রেরা চিন্তা করতে লাগলেন, এই বরাহ কে? আমার নাকের ভিতর থেকে সামান্য আকার নিয়ে  আবির্ভূত হয়ে, কিভাবেই বা এই বরাহ এমন ভীষণ আকার ধারণ করতে পারলে? তবে কি ইনিই শ্রী ভগবান বিষ্ণু? সকলেই যখন এই বিতর্কে ব্যস্ত, তখন সেই বরাহ মূর্তি প্রচণ্ড গর্জনে সমস্ত দিক কাঁপিয়ে তুললেন। সেই মায়াময় বিশাল শূকরের গর্জন, অবিকল শূকরের মতোই, সেই গর্জনে সকলেই আশ্বস্ত হলেন, যে ইনিই ভগবান শ্রীবিষ্ণু। স্বয়ং ব্রহ্মা ও উপস্থিত মরীচি প্রমুখ ঋষিরা আনন্দে ভগবানের স্তুতি করে বেদমন্ত্র উচ্চারণ করলেন। বেদমন্ত্র শুনে সেই অদ্ভূত বরাহ আর একবার গর্জন করে, বিশাল লাফ দিলেন, তারপর জলের মধ্যে ডুব দিলেন। তাঁর ক্ষুরের আঘাতে আকাশের মেঘ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। তাঁর চোখের জ্যোতিতে চারদিক উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। ভয়ংকর করাল তাঁর দাঁতের সারি। তাঁর দাঁত করাল হলেও, তাঁর চোখে তীব্র জ্যোতি থাকলেও, বেদ উচ্চারণ রত ঋষিদের প্রতি তাঁর দৃষ্টি প্রসন্নই রইল। এই বরাহমূর্তি আসলে তাঁর ছলমাত্র, তিনিই স্বয়ং যজ্ঞমূর্তি, বরাহরূপে এসেছেন রসাতল থেকে পৃথিবীকে উদ্ধার করার জন্যে



[মালব (মধ্য প্রদেশ) অঞ্চলে অনার্যদের মধ্যে বরাহ পূজার প্রচলন ছিল। এরান অঞ্চলে বরাহ মূর্তি পাওয়া গেছে।  সেই বরাহকে বিষ্ণুর অবতার বানিয়ে, হিন্দু ধর্ম অনার্য প্রথাকেই নিজের অন্তর্ভুক্ত করে নিল। তার জন্যেই এত গল্প বানানো, স্তব-স্তুতি, বেদমন্ত্র উচ্চারণ ইত্যাদি। ওপরে রইল এরানের (মধ্যপ্রদেশ) বরাহ মূর্তি - সৌজন্য গুগ্‌ল্‌। ]

চলবে...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নতুন পোস্টগুলি

ভাগবত পুরাণ - পর্ব ৩/৫

 এই সূত্রে - "    ঈশোপনিষদ "  এই সূত্র থেকে শুরু - " কঠোপনিষদ - ১/১ " এই সূত্র থেকে শুরু - " কেনোপনিষদ - খণ্ড ১ ও...