ধর্মাধর্ম প্রথম পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ১/১ "
ধর্মাধর্ম দ্বিতীয় পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ২/১ "
ধর্মাধর্ম তৃতীয় পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৩/১ "
ধর্মাধর্ম চতুর্থ পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৪/১ "
ধর্মাধর্ম শেষ পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৫/১ "
"ধর্মাধর্ম" গ্রন্থটি কিনতেও পারেন নিম্নলিখিত ঠিকানায় -
গুরুচন্ডা৯, ব্লক ১, স্টল ১৪, সূর্যসেন স্ট্রিট, কলেজ স্কোয়ার, কলকাতা ৭০০০১২
(পুঁটিরাম মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ঠিক উল্টোদিকে)
অথবা
+91 93303 08043 Whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করলে বাড়ি বসেও বইটি হাতে পেয়ে যেতে পারেন।
[এর আগের পর্বাংশ - " ধর্মাধর্ম - ৫/১৪ "]
৫.৪.৩ শিব - শৈব
শিবের উদ্ভব বৈদিক দেবতা রুদ্র থেকে। রুদ্র পৃথ্বীলোকের দেবতা এবং তিনি
একাদশ রুদ্র অর্থাৎ অগ্নিরূপে তাঁর এগারোটি রূপ – অতএব তিনি ভীষণ তেজোময় ও
শক্তিশালী। কিন্তু তাঁর প্রকৃতি বিষ্ণুর একেবারেই বিপরীত। তিনি শ্মশানে-মশানে
থাকেন। তাঁর ত্রিনয়ন, তাঁর
মাথায় বিশাল জটা, পরনে
বাঘের ছাল,
সারা গায়ে
ভস্ম মাখা। সাধারণ মানুষের কাছে যা কিছু ভয়ংকর সে সবই তাঁর অত্যন্ত প্রিয়। যেমন
তাঁর অলঙ্কার সাপ, তাঁর
সঙ্গী সাথীরা সকলেই ভূত, প্রেত, পিশাচ। অথচ তাঁর জটাতেই স্বর্গ থেকে মন্দাকিনীর পতন এবং
সেখান থেকে মঙ্গলময়ী গঙ্গার উৎপত্তি। তাঁর জটায় চন্দ্রকলা শোভা পায়। পৌরাণিক
তত্ত্ব অনুযায়ী তিনি ত্রিদেবের মহেশ্বর – ব্রহ্মা সৃষ্টি করেন, বিষ্ণু পালন করেন, মহেশ্বর হয়ে তিনি ধ্বংস
করেন। অতএব তিনিই মহাকাল, রুদ্র ভৈরব। তবে অধিকাংশ সময়েই তিনি শিব, পরম মঙ্গলময়, রক্ষাকর্তা। তিনি যখন শিব – তিনি আশুতোষ - খুব অল্পেই তিনি
সন্তুষ্ট হয়ে যান। কিন্তু ক্রুদ্ধ হলে তাঁর তৃতীয় নয়ন থেকে ঝলসে ওঠে অগ্নি।
হিমালয়ের কৈলাস পর্বতেই তাঁর স্থায়ী অধিষ্ঠান এবং সর্বদাই তিনি ধ্যান
করতে থাকেন। তিনি মহাযোগী তপস্বী, যোগ সমাধিতেই তিনি জগতের মঙ্গলামঙ্গল নিয়ন্ত্রণ করেন।
ভারতের সকল যোগীদের তিনি যোগগুরু, তাঁর অনুসরণেই সকলে যোগ অনুশীলন করেন। একদিকে তিনি যেমন
সকল তপস্বীদের যোগ-সমাধি গুরু আবার অন্যদিকে তিনি নৃত্যগুরুও। তিনি নৃত্যের
স্রষ্টা নটরাজ। তিনিই ভারতের নৃত্যকলার স্রষ্টা। কিন্তু ক্রুদ্ধ হয়ে যখন তিনি
নৃত্য করেন,
তখন ধ্বংস
হতে থাকে সৃষ্টি, সে
নৃত্যের নাম প্রলয় বা তাণ্ডব নৃত্য।
ভগবান শিবের দক্ষ-যজ্ঞ কাণ্ডটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিভিন্ন পুরাণে
এই ঘটনার বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। মহাভারতেও এই ঘটনার উল্লেখ করেছেন স্বয়ং
কৃষ্ণ। প্রথমে শ্রীমদ্ভাগবত (চতুর্থ স্কন্ধ, অধ্যায় ২, ৩, ৪, ৫, ৬) থেকে ঘটনাটির সংক্ষেপে বিবরণ
দিচ্ছি।
সত্যযুগে প্রজাপতি দক্ষ একবার “শিব-হীন” যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন, অর্থাৎ সেই যজ্ঞে রাজা
দক্ষ সকল দেবতাদের নিমন্ত্রণ করলেও শিবকে নিমন্ত্রণ করেননি। এই দক্ষের কন্যা ছিলেন
সতীদেবী,
শিবের
প্রথমা পত্নী। শিবের ঘোরতর আপত্তি সত্ত্বেও, সতীদেবী এই যজ্ঞের সময়েই পিতৃগৃহে
গিয়েছিলেন এবং সেখানে তাঁর পিতা দক্ষ, কন্যা সতীদেবীর সামনেই, শিবের কঠোর সমালোচনা এবং নিন্দা
করলেন। স্বামীর নিন্দা সহ্য করতে না পেরে, দক্ষের যজ্ঞ সভাতেই সতীদেবী
অগ্নি-সমাধিযোগে[1]
নিজের প্রাণ আহুতি দিলেন।
এই সংবাদ যখন কৈলাসে শিবের কাছে পৌঁছল, ভগবান শিব রুদ্র-ভৈরব হয়ে উঠলেন, তিনি জটা থেকে একগাছি চুল
ছিঁড়ে মাটিতে ফেলা মাত্র বীরভদ্র নামে তাঁর ভয়ংকর এক অনুচর উপস্থিত হলেন। তাঁর
আকাশস্পর্শী দেহ, সহস্র
বাহু, তিনটি চোখ যেন সূর্যের
মতো উজ্জ্বল,
গলায় নরকপাল
মালা, গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণবর্ণ।
বীরভদ্রকে ভগবান ভৈরব বললেন, “তুমি অতীব রণদক্ষ, তোমার সমস্ত অনুচরদের সঙ্গে নিয়ে
যাও, দক্ষের যজ্ঞে অনর্থ ঘটাও
এবং দক্ষকে বধ করো”। বীরভদ্র প্রভুর আদেশে তাঁর অনুচরদের নিয়ে দক্ষের যজ্ঞস্থলে
উপস্থিত হলেন। তাদের কেউ বেঁটে, কারও গায়ের রং পিঙ্গল, কারও হলুদ, কারও কারও মুখ ও উদর
মকরের মত। তারা কিছুক্ষণের মধ্যেই যজ্ঞস্থল লণ্ডভণ্ড করে দিল এবং বীরভদ্র দক্ষের
শিরশ্ছেদ করে,
কাটা মুণ্ড
যজ্ঞের আগুনে দগ্ধ করে, কৈলাসে ফিরে এলেন।
এই যজ্ঞে নিমন্ত্রিত হয়েও ব্রহ্মা ও বিষ্ণু উপস্থিত ছিলেন না, কারণ শিব-হীন যজ্ঞে
তাঁদের অনুমোদন ছিল না। কিন্তু দক্ষের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত যে দেবতা ও মুনি-ঋষিরা
বীরভদ্র ও তার সঙ্গীদের হাতে আহত হয়েছিলেন, তাঁরা ব্রহ্মার কাছে এসে অনুরোধ
করলেন, ভগবান শিবকে বুঝিয়ে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হোক এবং অসম্পূর্ণ যজ্ঞ সম্পূর্ণ করা হোক। ব্রহ্মা সদলবলে
কৈলাসে গেলেন শিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে।
স্বয়ং ব্রহ্মাকে সামনে উপস্থিত দেখে দেবাদিদেব শিব আসন থেকে উঠে
দাঁড়ালেন এবং নতমস্তকে ব্রহ্মার বন্দনা করলেন। তার উত্তরে, ব্রহ্মা সহাস্যে বললেন, “তুমি যদিও আমাকে প্রণাম
করলে, তবুও আমি তোমাকেই এই
বিশ্বের ঈশ্বর বলেই জানি। যেহেতু এই জগতের যোনিরূপা প্রকৃতির ও বীজস্বরূপ পুরুষের
তুমিই একমাত্র কারণ। তৎসত্ত্বেও তুমি নির্বিকার ব্রহ্মরূপে বিরাজ করে থাক। হে ভগবন, তুমি নিজের অংশ থেকে জাত
এই প্রকৃতি ও পুরুষ থেকেই, খেলার ছলে ঊর্ণনাভি[2]-র মতো এই বিশ্বের সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয় করে
থাক। বেদ-ধর্ম রক্ষার জন্যে তুমিই যজ্ঞের
সৃষ্টি করেছিলে,
তুমিই এই
যজ্ঞের বিধি বিধান নির্দিষ্ট করেছিলে। হে মঙ্গলময়, যারা শুভকার্যের অনুষ্ঠান করে, তুমি তাদের স্বর্গ বা
মোক্ষ দান করে থাক, আর
যারা পাপ আচরণ করে তুমি তাদের নরক বিধান করে থাক। হে রুদ্র, তুমি প্রজাপতি দক্ষের
যজ্ঞ ধ্বংস করায়, ওই
যজ্ঞ অসমাপ্ত রয়েছে। তুমি সর্বজ্ঞ, অতএব তুমি ওই যজ্ঞে উপস্থিত থেকে, ওই যজ্ঞ সম্পন্ন করাও। যজমান দক্ষ
আবার জীবিত হোক,
অন্যান্য
দেবতা, মুনি-ঋষিদেরও সুস্থ করে
দাও”। আশুতোষ ব্রহ্মার কথায় সন্তুষ্ট হলেন, বললেন, “সকলেই সুস্থ হোক। কিন্তু দক্ষের
মাথা, যজ্ঞের আগুনে দগ্ধ হয়ে
গেছে, অতএব এখন তাঁর দেহে
ছাগলের মুণ্ড সংযুক্ত করতে হবে। আর আরব্ধ যজ্ঞ সম্পাদনের আয়োজন শুরু হোক”।
অন্য পৌরাণিক কাহিনী থেকে পাওয়া যায়, সতীদেবীর দেহত্যাগের সংবাদ পেয়ে
ভগবান রুদ্র নিজেই এসেছিলেন তাঁর অনুচরদের নিয়ে। দক্ষের যজ্ঞস্থল লণ্ডভণ্ড করে
দেওয়ার পর,
পত্নীর শোকে
সতীদেবীর মৃতদেহ নিজের কাঁধে নিয়ে প্রলয় নৃত্য শুরু করেছিলেন। সেই ভয়ংকর নৃত্যের
নামই “তাণ্ডব”। সেই নৃত্যে জগতে প্রলয় শুরু হয়ে যাওয়াতে, বিষ্ণু তাঁর চক্র দিয়ে টুকরো
টুকরো করে ফেলেন, সতীদেবীর
শব। সেই শব মোট একান্নটি টুকরো হয়ে দেশের যেখানে যেখানে ছড়িয়ে পড়েছিল, সে স্থানগুলিই হয়ে উঠেছিল
শক্তিপীঠ। তাঁরা সকলেই হয়ে উঠলেন আদ্যাশক্তি মহামায়ার একান্নটি মাতৃকামূর্তি -
ভগবান শিবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ দেবীসতীর অবিনশ্বর রূপ। সে কথা পরে আসবে।
এবার মহাভারতের দক্ষযজ্ঞ পর্বের (অনু/১৬০) দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ রাজা যুধিষ্ঠিরকে বলছেন, “প্রজাপতি ব্রহ্মা বহুকাল তপস্যা করে, ভগবান ভূতপতির মাহাত্ম্য
প্রকাশ করেছেন। ভবানীপতি এই স্থাবর-জঙ্গমাত্মক পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। এই ত্রিলোকে
তাঁর থেকে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর সমতুল্য আর কেউ নেই। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে রণক্ষেত্রে
দাঁড়ালে,
শত্রুরা
তাঁর গায়ের গন্ধেই ভয়ে কাঁপতে থাকে, জ্ঞান হারায়, অনেকে মারাও যায়। একবার প্রজাপতি দক্ষ বিপুল যজ্ঞের আয়োজন
করেছিলেন কিন্তু সেখানে তিনি ভবানীপতির যজ্ঞভাগ বিবেচনা করেননি। ভবানীপতি ক্রুদ্ধ
হয়ে ভয়ংকর গর্জনে যজ্ঞস্থল বিদ্ধ করলেন। ওই সময় মহাদেবের জ্যা[3]শব্দে উপস্থিত দেবতা, অসুর সকলেই আতঙ্কিত এবং
পৃথিবীও কেঁপে উঠল। এরপর রুদ্রদেব দেবতাদের দিকে দৌড়ে গিয়ে ভগের দুই চোখ উপড়ে
নিলেন এবং লাথি মেরে পূষা[4]-র দাঁত ভেঙে দিলেন। দেবতারা
রুদ্রের এই ভয়ংকর রূপ দেখে তাঁকে প্রণাম করতে লাগলেন, করজোড়ে শতরুদ্রীয় মন্ত্র জপ করতে
লাগলেন। তাতে দেবাদিদেব কিছুটা শান্ত হয়েছেন দেখে দেবতারা তাঁর জন্যে বেশ বড়ো রকম
যজ্ঞভাগ নির্দিষ্ট করলেন। ভগবান ভূতভাবন এবার সন্তুষ্ট হয়ে, যজ্ঞের প্রতিষ্ঠা করলেন
এবং নষ্ট হওয়া উপচারের সংস্থাপন করলেন”।
এই কাহিনীর পৌরাণিক এবং
মহাভারতীয় বর্ণনা থেকে অনেকগুলি বিষয়ে সন্দেহ আসে, যেমন,
১. পুরাণে ব্রহ্মা এবং মহাভারতে কৃষ্ণ দুজনেই বলছেন, মহাদেব এই পৃথিবীর
সৃষ্টিকর্তা। তাহলে দক্ষ তাঁকে যজ্ঞে আমন্ত্রণ করলেন না বা যজ্ঞভাগ নির্দিষ্ট
করলেন না কেন?
মহাদেবকে
তিনি কি দেবতা হিসেবে মেনে নিতে পারেননি? মহাদেব কি, বৈদিক রুদ্র হিসেবে তখনো পূর্ণ দেবত্বে অধিষ্ঠিত হননি? প্রতিপত্তিশালী অনার্য
দেবতা হিসেবে ব্রাহ্মণ্য সমাজের অভিজাত মহলে তখনও তিনি পূর্ণ স্বীকৃতি পাননি? তাহলে তাঁর হাতে দক্ষ
নিজের কন্যাকে দান করেছিলেন কেন? কিন্তু সতীদেবীর আচরণে মহাদেবের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা, ভক্তি এবং ভালোবাসার কোন
ত্রুটি তো দেখা যায়নি।
২. পুরাণ এবং মহাভারতের বর্ণনায় দক্ষের যজ্ঞস্থলে ব্রহ্মা এবং বিষ্ণু
উপস্থিত ছিলেন না। দক্ষের সিদ্ধান্তের কথা তাঁরা দুজনেই জানতেন এবং মহাদেব যে ছেড়ে
কথা বলবেন না,
এটা বুঝেই
তাঁরা বিপদ এড়িয়ে গিয়েছিলেন?
৩. ভগবান কৃষ্ণ তাঁর পরাক্রমের বর্ণনায় “গায়ের গন্ধ"-র উল্লেখ
করলেন কেন?
কোন বীরের
বীরত্বের বর্ণনায় এখনও পর্যন্ত গায়ের গন্ধেই শত্রু নিপাত হয় এমন শোনা যায়নি।
মহাদেবের সঙ্গী বা অনুচরেরা ভূত, প্রেত, তাঁদের চেহারার বর্ণনার মধ্যেও ব্রাহ্মণ্য শ্লেষ ধরা পড়ছে।
অনার্য মানুষদের তাঁরা যেমন রাক্ষস, দানব এবং দৈত্য বলে বিকট এবং ভয়াল চেহারার বর্ণনা দিয়ে
থাকেন, এখানেও তার ব্যতিক্রম
করেননি।
৪. অতএব, দক্ষযজ্ঞ
ঘটনার বিশ্লেষণ করলে এমন অনুমান করাই যায়, মহাদেব ছিলেন, শৈব বা পাশুপত্যধর্মে
বিশ্বাসী পরাক্রমী অনার্য গোষ্ঠীপতি, তাঁর অনুগত অনার্য সেনারা দুর্ধর্ষ, দুর্দান্ত এবং বেশ
নৃশংসও। অবশ্য ব্রাহ্মণ্য সমাজের থেকে অধিকার আদায়ের জন্যেই সম্ভবতঃ তাঁকে একটু
অস্বাভাবিক আক্রমণাত্মক হতে হয়েছিল। এই প্রজাপতি দক্ষের যজ্ঞে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর, তাঁকে আর পিছন ফিরে
তাকাতে হয়নি। এরপর থেকে তিনিই মহাদেব, তিনিই রুদ্র, তিনিই শিব, তিনিই মহেশ্বর ও পশুপতি।
ব্রহ্মা ও কৃষ্ণ বা বিষ্ণুর সমান্তরাল দেবতা হয়ে উঠেছিলেন।
[1] অতি
উচ্চকোটির যোগীদের পক্ষেই নাকি অগ্নি-সমাধি যোগে দেহত্যাগ করা সম্ভব, অতএব সতীদেবী তাঁর পতির
মতোই মহাযোগিনী।
[2] ঊর্ণ
বা ঊর্ণা মানে জাল, জাল
নাভিতে যার সেই ঊর্ণনাভি – অর্থাৎ মাকড়সা। মাকড়সা যেমন নিজেরই নাভির রস থেকে জাল
বুনে তোলে,
তেমনি
ব্রহ্মও তাঁর নিজের অংশ থেকে ব্যাপ্ত এই বিশ্বচরাচর সৃষ্টি করেছেন।
[3] জ্যা
– ধনুকের ছিলা।
[4] দ্বাদশ
আদিত্যের মধ্যে দুই আদিত্য ভগ ও পূষা বা পূষণ – সূর্য - দুজনেই বৈদিক দেবতা।
চলবে ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন