প্রথম ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " সুরক্ষিতা - পর্ব ১ "
দ্বিতীয় ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " এক যে ছিলেন রাজা - ১ম পর্ব "
তৃতীয় ধারাবাহিক উপন্যসের প্রথম পর্ব - " বিপ্লবের আগুন - পর্ব ১ "
চতুর্থ ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " শুধু _তুই .কম - পর্ব ১ "
পঞ্চম ধারাবাহিক উপন্যাস প্রথম পর্ব - "স্বদেশী ডাকাত - পর্ব ১ "
সম্পুর্ণ উপন্যাস - " এক দুগুণে শূণ্য "; "অচিনপুরের বালাই" ; " সৌদামিনীর ঘরে ফেরা "
৩
পড়া শেষ হতে দাদু চিঠিটা যত্ন করে আবার ফাইলে রাখলেন। তারপর
বললেন, “এই চিঠি সজনীবাবু লিখেছিলেন উণিশশ একান্নর ৭ই জানুয়ারি। আমরা পেয়েছিলাম প্রায়
তিনমাস পরে এপ্রিলের মাঝামাঝি। এই চিঠির কথা শুনেই আমার ঠাকুমা হাহাকার করে উঠলেন।
আমার বয়েস তখন বছর সতের। ওফ্ ঠাকুমার সেই কান্না আর বুক ভাঙা
আক্ষেপ মনে পড়লে আজও শিউরে উঠি। সেই শোক আর তিনি কাটিয়ে উঠতে
পারেননি। নাওয়া-খাওয়া-ঘুম ছেড়ে দিয়েছিলেন। অহোরাত্র তাঁর একটাই কথা “ছোটটা নীচেয়
আটকা পড়ে আছে – ওকে বের আন না, বড় খোকা। ও বউমা – ছেলেটা যে ডেকে ডেকে সারা হল –
শুনতে পাচ্ছো না...?”
দাদু বিষণ্ণ মুখে জানালার বাইরে তাকিয়ে রইলেন
কিছুক্ষণ, তারপর মাথা নেড়ে গভীর খেদের সঙ্গে বললেন, “এই শোক ঠাকুমা সহ্য করতে
পারলেন না, ছ’মাসের মধ্যেই দেহরক্ষা করলেন। সন্তান মারা গেলেও মানুষ এক সময়
সান্ত্বনা খুঁজে নেয়। কিন্তু জীবিত সন্তান ঘুমিয়ে রয়েছে মায়ের পায়ের নীচেয় পাতালঘরে
–তাকে জাগিয়ে তুলবে কে? কে জানে সেই মন্ত্র? এই আক্ষেপ কোন মায়ের কি সহ্য হয়?”
আমার মা যখন বউ হয়ে এ বাড়িতে আসেন, তাঁর বয়েস
চোদ্দ, আর ছোটকার বয়েস সাত। বাপের বাড়িতে ছেড়ে আসা মায়ের ছোটভাইয়ের বয়েসও ছিল সাত।
কাজেই মা ছোটকাকে নিজের ভাইয়ের মতোই স্নেহ করতেন। তিনিও তাঁর বুকে এই কাঁটার
যন্ত্রণা আমৃত্যু সহ্য করেছেন”।
কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর আবার বললেন, “এই হচ্ছে ঘটনা। এখন
ছোটকাকে কী করে উদ্ধার করা যায়, সকলে মিলে সে কথাটাই আলোচনা করা যাক। নবু তোর কী মত?”
নবীনবাবু চিন্তিত মুখে বললেন, “ছোটদাদু রয়েছেন তো পাতালঘরে।
সে ঘর ঠিক কোথায় তুমি কি জান? আমরা তো জানিই না”।
প্রবীণবাবু মাথা নাড়লেন, “নাঃ সে ঘরে ঢোকার রাস্তা আমারও জানা
নেই। তার ওপর সে বাড়ির যা অবস্থা কোন লোকই সেখানে ঢুকতে রাজি হবে না”।
কথাটা সত্যি। অহীনরা এখন যে বাড়িতে থাকে, সে বাড়িটা নতুন। বছর
চল্লিশেক আগে তার দাদু এই প্রবীণবাবুই বানিয়েছিলেন। অহীনের জন্ম
এবং বেড়ে ওঠা এই নতুন বাড়িতেই। আর ওদের পুরোনো বাড়িটা এই নতুন বাড়ির পিছনে – বেশ খানিকটা
দূরে। ছোটবেলা থেকেই অহীন বা তার বন্ধুরা ওই বাড়ির আশেপাশে গিয়েছে বহুবার – কিন্তু
কোনদিনই ভেতরে ঢুকতে সাহস হয়নি। দোতলা বাড়ির কাঠামোটা কোনরকমে দাঁড়িয়ে আছে। দোতলার
ছাদ কবে ভেঙে পড়েছে সে কথা অহীন জানে না। বড়ো বড়ো ফাটল ধরা ইঁটের দেওয়ালগুলোর বেশ কিছুটা
দাঁড়িয়ে আছে ঠিকই, কিন্তু অশ্বত্থ আর বটের জঙ্গল শেকড় নামিয়ে দিয়েছে সর্বত্র। বাড়ির
চারপাশে – আগে নিশ্চয়ই বাগান-টাগান ছিল – কিন্তু এখন সেখানে দুর্ভেদ্য আগাছার জঙ্গল।
প্রত্যেকবার বর্ষায় সে জঙ্গল আরো বেশি ঘন আর ঠাসবুনোট হয়ে ওঠে।
অহীন ঠাকুমা আর মায়ের কাছে গল্প শুনেছে, ওই বাড়ির একতলার পশ্চিমদিকের
একটি ঘরের মেঝের পুরোটাই বড়ো বড়ো পাথর দিয়ে বাঁধানো। সেই ঘরের এক কোণায় একটা পাথর সরালে
বেরিয়ে পড়ে চারকোণা একটা গর্ত। সেই গর্ত দিয়ে নীচে নামা যায় – ছোট ছোট ধাপের সিঁড়ি আছে। কিন্তু
সেই বিয়াল্লিশ সাল থেকে এই দুহাজার ছাব্বিশ – প্রায় তিরাশি বছর সেই গর্তে কেউ নামেনি। কারণ ঠাকুর সিদ্ধানন্দের নিষেধ। অবিশ্যি
অহীন তার বাবার কাছে শুনেছে, আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে থেকেই ওই বাড়ির ভগ্নদশা
শুরু হয়েছিল। অত বড়ো বাড়ি এবং তাকে ঘিরে চারপাশের বাগান-টাগান - ঠিকঠাক সংস্কার করা।
তাকে বাসযোগ্য রাখা আর সম্ভব হয়ে উঠছিল না। সেই কারণেই বড়ো রাস্তার ধারে দাদু এই নতুন
বাড়ি বানিয়েছিলেন। আর পিছনের দিকে পাঁচিল তুলে আলাদা করে দিয়েছিলেন জঙ্গলে মোড়া প্রাচীন
বাড়ির ধ্বংসাবশেষ।
অহীন বলল, “ওই বাড়িতে ঢোকার মতো রাস্তা বানাতে গেলে অনেক লোক
লাগিয়ে, আগে ওই জঙ্গল কাটাতে হবে, দাদু। এই ভরা বর্ষায় কে ঢুকবে?
তাছাড়া হঠাৎ এতদিন পরে লোকজন লাগিয়ে জঙ্গল সাফ করাতে গেলেই পাড়ায় হৈচৈ পড়ে যাবে। আমাদের
ছোড়-প্রপিতামহের সমাধিভাঙার কথা কেউ বিশ্বাসই করবে না। বরং ভাববে আমরা নিশ্চয়ই কোন
গুপ্তধনের সন্ধান পেয়েছি। সে এক বিশ্রী ব্যাপার হবে। থানা-পুলিশ-মিউনিসিপ্যালিটির লোকজন
হানা দেবে বাড়িতে। হয়তো নিউজ চ্যানেলের লোকরাও চলে আসবে…”।
প্রবীণবাবু মন দিয়ে শুনলেন অহীনের কথা।
তিনি সায় দিয়ে বললেন, “ঠিকই বলেছ অহীন। কিন্তু যদি সত্যি সত্যিই
ছোড়দাদু বেঁচে থাকে? সে কি ওই ঘরে বন্দী অবস্থাতেই মারা যাবে? আর আমরা হাতপা গুটিয়ে
বসে থাকব? কোন উপায়ই বের করা যাবে না?” প্রবীণবাবুর ব্যাকুল কথায়
সকলেই বিচলিত হয়ে উঠলেন, কিন্তু সমাধানের কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নবীনবাবু বললেন, “বাবা এত উতলা হয়ে উঠ না তো!
আমাদের একটু ভাবতে সময় দাও – কিছু একটা সুরাহা হয়েই যাবে – চিন্তা করো না”।
ঘরে থাকা মহিলারা এতক্ষণ কোন কথাই বলেননি। এখন অহীনের
বৌদি তিৎলি নবীনবাবুকে বললেন, “আমার সেই
মাসতুতো দাদা – আপনারা চেনেন তো, সেই সরুদাকে বলব, বাবা? ও যদি কোন উপায় বের করতে
পারে?”
নবীনবাবু বললেন, “সর্বজিৎকে
বলবে? কিন্তু সে কি সময় করতে পারবে? এখন আছে কোথায়? কানপুরে না কলকাতায়?”
তিৎলি বলল, “কলকাতাতেই
আছে। ফাইন্যাল পরীক্ষা দিয়ে কলকাতায় এসেছে - শুনেছি বেশ কয়েকদিন বাড়িতেই থাকবে। আমি
বলে দেখতে পারি, যদি কাল পরশুর মধ্যে চলে আসতে পারে”।
প্রবীণবাবু বললেন, “বলো,
বলে দেখ। বেশ বুদ্ধিমান ভাল ছেলে। সে যদি কোন উপায় বের করতে পারে, সে তো ভালো কথা।”
অহীন বলল, “বৌদি, তুমি
বলেই দেখ না, যদি আসতে পারে। তোমার মুখে সরুদার নানান কীর্তির কথা যা শুনেছি, ও
কিছু একটা উপায় বের করে ফেলবেই”।
তিৎলি বলল, “ঠিক আছে, আমি ফোন করে, জানাচ্ছি”।
৪
১৩ই জুলাই, রবিবার, ২০২৬
সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ সর্বজিৎ
তিৎলিদের বাড়ি এসে হাজির। অহীন সদর দরজা খুলেই বলল, “এস এস সরুদা, তোমার
জন্যেই আমরা ওয়েট করছিলাম। মুখহাত ধুয়ে টেবিলে বসে পড়। তোমার অনারে আজ মা লুচি
ভাজছে, আর বৌদি আলু ছেঁচকি বানাচ্ছে”।
সরুদা মুখহাত ধুয়ে রান্নাঘরের দরজায় একবার উঁকি দিয়ে
বলল, “মাসিমা, অহীনের সঙ্গে আমি টেবিলে বসে পড়েছি, খুব খিদে পেয়েছে”।
তিৎলির শ্বাশুড়ি বললেন, “এক্খুনি তোমার বোন নিয়ে
যাচ্ছে, বাবা সরু। তোমার মেসোমশাইকে ডেকে টেবিলে বসে পড়”।
গতকাল তিৎলির সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময়, ওদের
দাদুর সমস্যার কথা সর্বজিৎ কিছুটা শুনেছিল, আজ ব্রেকফাস্ট সারতে সারতে পুরোটাই
শুনে ফেলল।
তারপর নবীনবাবু চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললেন,
“আমার কিন্তু পুরো ব্যাপারটাই এখনও একটা গুজব বলে মনে হচ্ছে, সর্বজিৎ। নাওয়া নেই
খাওয়া নেই টয়লেট যাওয়া নেই – একজন মানুষের পক্ষে এতবছর বেঁচে থাকা সম্ভব? বাবার
এখন প্রায় নব্বই চলছে, দেখেছ তো উনি এই বয়েসেও কেমন ঋজু
আর শক্ত-সমর্থ। বাল্যকাল থেকেই তিনি স্বদেশী করা ছোটকাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করেন। সত্যি
বলতে, আমার বাবার চোখে তিনিই তাঁর আসল হিরো! তাঁর সেই
সেন্টিমেন্টে আঘাত করার সাহস আমার নেই। অতএব আমাদের ছোট-প্রপিতামহ আদৌ ওই পাতালঘরে
রয়েছেন কিনা। আর থাকলেও তিনি জীবিত কিনা সেটা প্রথমে নিশ্চিত হওয়া দরকার। বৌমা বলল,
তুমি নাকি প্রফুল্লনগরে অনেক কাণ্ড করেছ! তার মধ্যে অনেকগুলিই নাকি প্রায় অলৌকিক!
এখন দেখ, তুমি যদি এ ব্যাপারে আমাদের কোন সাহায্য করতে পারো। আমরা সব্বাই বড্ডো
দুশ্চিন্তায় রয়েছি, বাবা”।
সর্বজিৎ বলল, “আপনি চিন্তা করবেন না, মেসোমশাই।
আমি তো একলা নই – আমার সঙ্গে বেশ বড়োসড়ো একটা দল আছে – তাদের সঙ্গে নিয়ে আমি যথাসাধ্য
চেষ্টা করব”।
নবীনবাবু বললেন, “ও, তা তোমার দলের ছেলেপিলেরা
আসবে কখন?”
সর্বজিৎ হাসি মুখে বলল, “তারা এসে গেছে,
মেসোমশাই। আমাদের আশেপাশেই আছে, এবং আমাদের সব কথাই তারা শুনছে”।
নবীনবাবু আঁতকে উঠলেন, “বলো কি? কই আমি তো কাউকে
দেখতে পাচ্ছি না...তার মানে বৌমার কাছে যা শুনেছি, সে সব সত্যি?”
সর্বজিৎ বলল, “হ্যাঁ মেসোমশাই, আপনারা তাদের
দেখতে পাবেন না, তারা অশরীরী”।
নবীনবাবু আতঙ্কিত স্বরে বললেন, “ও বাবা, কী ভয়ংকর
ব্যাপার! তুমি তাদের সঙ্গে মেলামেশা-ওঠাবসা করো?”
সর্বজিৎ তাঁকে আশ্বস্ত করার জন্য বলল, “কিচ্ছু ভয়
নেই, মেসোমশাই। আমার বোনেরা, আমার মাসিমা-মেসোমশাই – সবার সঙ্গেই ওদের বন্ধুত্ব”।
“আচ্ছা, বাবা, ত্-তাহলে দেখ ত্-তুমি কি ক্-করতে
পারো? আ-আমি এখন ঘ্-ঘরে যাই কেমন?” নবীনবাবু সর্বজিতের কথায় তেমন আশ্বস্ত হলেন
বলে মনে হল না, তিনি তাড়াহুড়ো করে চেয়ার ছেড়ে দ্রুত বেরিয়ে গেলেন ঘর থেকে।
মেসোমশাই ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে, সর্বজিৎ অহীনের
দিকে তাকাল, অহীনের মুখেও বেশ ভয় পাওয়া ভাব। অহীন খুব চাপা স্বরে বলল, “তোমার ওই
ভূতগুলো সত্যি সত্যিই এই ঘরের আশেপাশে আছে, সরুদা?”
সর্বজিৎ একটু গম্ভীর গলায় বলল, “ওরা ভূত নয় অহীন,
ওরা অশরীরী। ভূত বলতেই আমরা যা শুনে এসেছি ছোটবেলা থেকে – মুলোর মত দাঁত, কুলোর মতন
কান, আগুনের গোলার মত চোখ, ওসব এদের কিছুই নেই। এরা মানুষের ঘাড় মটকে রক্তও খায়
না। এরা অশরীরী। তুমি যদি মন থেকে ভয়টা মুছে নিতে পার, আমাদের মতো তুমিও ওদের
দেখতে পাবে। ওদের কথা শুনতে পাবে, সেকথা খোনা বা নাকি সুরের কথা নয়”।
তাতেও অহীনের ভয় ভাঙল না দেখে সর্বজিৎ অহীনের
পিঠে হালকা চাপড় মেরে হাসল, বলল, “ভয় ব্যাপারটা হল মাকড়সার জালের মত – মনের কোণে
বাসা বাঁধতে চায় – সেটাকে মাঝে মাঝে সাফ না করলে, সে জালের ফাঁদে মনটা বাঁধা পড়ে
যায়। তোমাদের ছাদের ঘরটা বেশ নিরিবিলি। ওখানে তোমার সঙ্গে ওদের পরিচয় করিয়ে দেব,
আর কাজের কথাও শুরু করতে হবে। চলো”।
দুজনে বারান্দায় আসতেই, তিৎলি সরুদাকে বলল, “সরুদা,
রুকু-সুকুকে বলছি দুপুরে আমাদের এখানে খেয়ে নিতে, কথা শুনছেই না। তুমি একটু ধমকে
দাও না?”
অহীন আশ্চর্য হয়ে দেখল, সরুদা বাঁদিকে বোনের
মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনল, তারপর উল্টো দিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, “ওদের আজ চাপাচাপি
করিস না, তিৎলিসোনা। আজ তো ওরা দুজন নয় – অনেকে আছে। কি রে তাইতো?”
“ঠিক বলেছ, সরুদা”। সর্বজিৎ কার সঙ্গে কথা বলল, কারাই
বা সে কথার উত্তর দিল? যদিও ওদের কথাগুলো একটু অস্পষ্ট – যেন অনেক দূর থেকে কেউ
উত্তর দিল।
সরুদা তিৎলিকে বলল, “রুকু-সুকুকে ডেকে অন্য একদিন
খাওয়াস – আজ নয়”।
তিৎলি রাগ রাগ গলায় বলল, “কতবার বলেছি, আমাদের
বাড়ি একবারটি চ’ – কোনদিন আসেনি। তুমি ডেকেছ তাই এসেছে...”।
সরুদা তিৎলির গালে হাত রেখে আদর করে বলল, “পাগলি,
ওরা কী আমাদের মতো সাধারণ ছেলেপুলে? ওরা অশরীরী। হুট করে তোদের বাড়িতে নেমন্তন্ন খেতে এলে, বাড়ির
সকলেই ভয় পেয়ে যেত যে – এটা বুঝিস না কেন? এবার সবার সঙ্গে পরিচয় হবে...আশা করি
তোদের বাড়ির সবাই এবার ভরসা পাবেন। যাকগে, অহীন চলো – রুকুসুকু তোরাও সবাই ছাদের
ঘরে চল – কাজে নামতে হবে। বেশি সময় নেই”।
অহীন বলল, “চলো”। অহীনের পিছনে সর্বজিৎ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগল। এখন অহীনের মনে ভয় ভয় ব্যাপারটা অনেকটাই কমেছে।
চলবে...