ধর্মাধর্ম প্রথম পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ১/১ "
ধর্মাধর্ম দ্বিতীয় পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ২/১ "
ধর্মাধর্ম তৃতীয় পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৩/১ "
ধর্মাধর্ম চতুর্থ পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৪/১ "
ধর্মাধর্ম শেষ পর্বের শুরু - " ধর্মাধর্ম - ৫/১ "
"ধর্মাধর্ম" গ্রন্থটি কিনতেও পারেন নিম্নলিখিত ঠিকানায় -
গুরুচন্ডা৯, ব্লক ১, স্টল ১৪, সূর্যসেন স্ট্রিট, কলেজ স্কোয়ার, কলকাতা ৭০০০১২
(পুঁটিরাম মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ঠিক উল্টোদিকে)
অথবা
+91 93303 08043 Whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করলে বাড়ি বসেও বইটি হাতে পেয়ে যেতে পারেন।
[এর আগের পর্বাংশ - " ধর্মাধর্ম - ৫/১৫ "]
৫.৫.১ সমুদ্র মন্থন
ভগবান শিবের এই দক্ষযজ্ঞ পণ্ড করার রুদ্র রূপই একমাত্র রূপ নয়। তাঁর
অন্য আরেকটি রূপ ভীষণ সহজ, সরল, অনাড়ম্বর এবং উদাসীন তপস্বীর মঙ্গলময় রূপ। অমৃত লাভের
জন্যে দেবতা ও অসুররা সম্মিলিত হয়ে, সমুদ্রমন্থন শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমুদ্রের থেকে
অতি উৎকট হলাহল উঠে এল। সেই হলাহলের তীব্র তেজে দেবতা, অসুর এবং লোকপালেরা সকলেই অসুস্থ
হয়ে পড়লেন। তাঁদের রক্ষার জন্যে সকলেই দেবাদিদেব মহেশ্বরের শরণাপন্ন হলেন। মহেশ্বর
তখন কৈলাসে দেবীর সঙ্গে তপস্যা করছিলেন। দেবতাদের প্রার্থনা শুনে তিনি পত্নী
ভবানীকে বললেন,
“কী
দুশ্চিন্তার বিষয়, সমুদ্র
মন্থনে উদ্ভূত কালকূট প্রজাদের ঘোর দুঃখের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রজাগণ নিজেদের প্রাণ
রক্ষার জন্যে ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। এদের অভয় দেওয়াই আমার বিধেয়, যেহেতু যিনি সমর্থ, দীনজনকে রক্ষা করাই তাঁর
একান্ত কর্তব্য। অতএব এই বিষ আমিই পান করব”। দেবী ভবানী পতি মহেশ্বরের সাধ্যের কথা
জানতেন, তাই আপত্তি করলেন না। তখন
দেবাদিদেব সমস্ত হলাহল পান করলেন এবং বিষের তীব্র তেজে তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে গেল।
যদিও সেই বিষ তাঁর আর কোনও ক্ষতি করতে পারল না। সেই থেকেই তাঁর আরেক নাম হল
নীলকণ্ঠ। পান করার সময়, তাঁর আঙুলের ফাঁক দিয়ে কিছু বিষ মাটিতে পড়েছিল, সেই ছিটেফোঁটা বিষ পান
করেই, সাপ, বৃশ্চিক, শৃগাল, কুকুর এবং কিছু লতা-গুল্ম
বিষধর হয়ে উঠেছিল।
এরপর সমুদ্রমন্থন থেকে একে একে নানান ঐশ্বর্যের উদ্ভব হতে লাগল। যেমন, সুরভি নামের কামধেনু, ব্রহ্মবাদী ঋষিরা তাঁকে গ্রহণ করে তাঁদের গোয়ালে বেঁধে ফেললেন। শ্বেতবর্ণ এক ঘোড়া উচ্চৈঃশ্রবা, দেবরাজ ইন্দ্র গ্রহণ করে স্বর্গের ঘোড়াশালে পাঠাবার ব্যবস্থা করলেন। ঐরাবত নামের হাতি, সঙ্গে আটটি হস্তিনী- কেউ গ্রহণ করলেন কিনা, মহাভারত থেকে জানা যায় না। কিন্তু অন্য পুরাণ মতে ঐরাবত দেবরাজ ইন্দ্রই কুক্ষিগত করে নিজের পিলখানায় বেঁধে ফেলেছিলেন। কৌস্তুভ নামের পদ্মরাগ রত্ন, ভগবান বিষ্ণু গ্রহণ করলেন। পারিজাত বৃক্ষ, ইন্দ্র গ্রহণ করে স্বর্গের বাগানে রোপণ করলেন। সোনার অলংকারে ভূষিতা অপ্সরাগণ, তাঁদেরও ইন্দ্র স্বর্গে নিয়ে গেলেন। এরপর আবির্ভূতা হলেন লক্ষ্মীদেবী, তিনি নিজেই ভগবান বিষ্ণুকে আশ্রয় করলেন। এরপর সুরার দেবী বারুণী আবির্ভূতা হলেন, ভগবান বিষ্ণুর অনুমতি নিয়ে অসুররা তাঁকে গ্রহণ করলেন। এরপরেই অমৃতপূর্ণ কলস হাতে আবির্ভূত হলেন, আয়ুর্বেদ পারদর্শী ধন্বন্তরি। অতএব সমুদ্রমন্থনে লব্ধ এত ঐশ্বর্যের মধ্যে ভগবান শিবের ভাগে জুটেছিল তীব্র বিষ, কারণ অমৃতের ভাগ তো, পৌরাণিক মতে, দেবতাদের সকলেই পেয়েছিলেন। এমন উদাসীনতা আর কোন হিন্দু দেবতার মধ্যে আছে বলে আমার মনে হয় না।
৫.৫.২ শিবের পূজা
মহাভারতে শিবের রূপ নিয়ে বেশ কয়েকটি উল্লেখ আছে। ব্যাসদেব যুধিষ্ঠিরকে, দেবাদিদেব শিবের বর্ণনায়
বলেছেন,
“ত্রিপুরারি
মহাদেব - বৃষ তাঁর বাহন, তিনি নীলকণ্ঠ, শূল ও পিনাকধারী এবং কৃত্তিবাস” (সভা/৪৫)। মহারাজ সগর
পুত্রকামনায় কৈলাস পর্বতে গিয়ে তপসা করেছিলেন এবং সেখানে ভবানীপতি শূলপাণীর থেকে
পুত্রলাভের বর লাভ করেছিলেন (বন/১০৬)। মহাদেবের থেকে পাশুপত অস্ত্র লাভের জন্যে
অর্জুন হিমাচলের দুর্গম এক পাহাড়ে দীর্ঘ তপস্যা করেছিলেন। অর্জুনের তপস্যায়
সন্তুষ্ট মহাদেব কিরাতের বেশে অর্জুনের সঙ্গে প্রথমে অস্ত্রযুদ্ধ পরে
দ্বন্দ্বযুদ্ধে লিপ্ত হন। সে যুদ্ধে যদিও অর্জুনের পরাজয় হয়েছিল, কিন্তু তাঁর পরাক্রমে
মহাদেব সন্তুষ্ট হয়ে, নিজের
পরিচয় জানালেন এবং পাশুপত অস্ত্র দান করলেন। তারপর এই অস্ত্রের প্রয়োগ ও নিরোধের
বিধি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। কৃতজ্ঞ অর্জুন মহাদেবের স্তবে বলেছিলেন, “হে মহাদেব, হে নীলকণ্ঠ, হে জটাধর, হে ত্র্যম্বক (ত্রিলোচন), হে বিষ্ণুরূপ শিব, হে শিবরূপ বিষ্ণো, হে শূলপাণে, হে পিনাকধারিণ, হে মার্জ্জালীয়[1], আপনাকে প্রণাম” (বন/১৩৯)।
মহাভারতে ব্যাসদেব অর্জুনের কাছে মহাদেবের মহিমা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, “তিনি রুদ্র, নীলকণ্ঠ, করাল, পিঙ্গলাক্ষ, কপর্দ্দী (জটাধারী), উগ্র। তিনি দিক্পতি, পর্জন্যপতি, ভূতপতি, বৃক্ষপতি, গোপতি, বিশ্বপতি। তিনি ধর্মাত্মা, মহেশ্বর, মহোদর, দ্বীপীচর্মবাস (বাঘছাল
বসন), ত্রিশূলপাণি, পিনাকী, খড়্গ-চর্মধারী। তিনি
ত্রিপুরঘ্ন,
ভগনেত্রঘ্ন, বনষ্পতির পতি, নরগণের পতি, মাতৃগণের পতি, গণপতি, গোপতি, যজ্ঞপতি, দেবপতি। তাঁকে বিনীত
নমস্কার কর। তাঁর অনেক পার্ষদ আছেন, তাঁরা বামন, জটিল (জটাধারী), মুণ্ডী (নরমুণ্ডধারী), হ্রস্বগ্রীব, মহোদর, মহাকায় প্রভৃতি বিকৃত
বেশধারী,
বিকৃত মুখ, বিকৃত পা প্রাণী” (দ্রোণ/
২০৩)।
মহাভারতের প্রধান চরিত্রদের অনেকেই শিবভক্ত এবং মহাদেব শঙ্করের আরাধনা করতেন, যেমন দ্রৌপদী, অর্জুন, জরাসন্ধ প্রমুখ। জরাসন্ধ যখন নরবলি দিয়ে রুদ্রযজ্ঞের আয়োজন করছিলেন, সেই সময়েই কৃষ্ণের নির্দেশে ভীম তাঁকে হত্যা করেন। কৌরব প্রাসাদের দেবমন্দিরে মহাদেবের উপাসনা কে করবেন, সে নিয়ে রাণি গান্ধারী ও রাণি কুন্তীর মধ্যে নাকি বিবাদ হয়েছিল। রাজা সগর, জয়দ্রথ, অম্বা, দ্রুপদরাজা, সোমদত্ত, অশ্বত্থামা এবং স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণও শাল্ব রাজার রাজধানী সৌভনগর ধ্বংস করতে যাওয়ার আগে শিবের উপাসনা করেছিলেন।
৫.৫.৩ শিবমূর্তি
শিবের বহু মূর্তিপূজার প্রচলন থাকলেও, সব থেকে প্রাচীন এবং আজও সব থেকে
পূজিত হয়,
তাঁর প্রতীক
“লিঙ্গ”। যতদূর প্রমাণ পাওয়া যায় এই লিঙ্গপূজা, সুপ্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষে
প্রচলিত ছিল। এই লিঙ্গের বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে সিন্ধুসভ্যতার শহরগুলির
প্রত্নখননে। লিঙ্গ প্রজননের প্রতীক। প্রচুর শস্য, সন্তান, পশু এবং সমৃদ্ধির আশায় ভারতীয়
সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই লিঙ্গ পূজার বহুল প্রচলন। এবং প্রকৃতপক্ষে প্রাচীনকাল থেকে
লিঙ্গপূজার মতো সর্বভারতীয় জনপ্রিয়তা হিন্দুধর্মের আর কোন দেবতার ভাগ্যে জোটেনি।
বিবিধ লিঙ্গ এবং তার মহিমার কথা সবিস্তারে জানা যায়, “তপোভূমি নর্মদা” গ্রন্থে,
যেমন – “সাধারণতঃ আমরা শিবলিঙ্গ দেখলেই তাঁকে বাণলিঙ্গ আখ্যা দিই।
কিন্তু বাণলিঙ্গের অনেক প্রকারভেদ আছে। যেমন, রৌদ্রলিঙ্গ, শিবনাভিলিঙ্গ, দেবলিঙ্গ, আর্ষলিঙ্গ, আগ্নেয়লিঙ্গ, নৈঋতলিঙ্গ, বারুণলিঙ্গ, বায়ুলিঙ্গ, কুবেরলিঙ্গ, বৈষ্ণব লিঙ্গ, ইত্যাদি। এছাড়া যে কোন
শিবলিঙ্গের মধ্যে জ্যোতির প্রকাশ থাকলে তাকে জ্যোতির্লিঙ্গ বলা হয়”। (প্রথম খণ্ড, পৃঃ ৮২)।
এই বাণলিঙ্গের সৃষ্টি সম্পর্কে যাজ্ঞবল্ক্য-সংহিতায়, স্বয়ং মহেশ্বর দেবী
পার্বতীকে বলছেন, “বাণাসুরের
কঠোর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে বর দিয়েছিলাম যে (ধাবড়ি কুণ্ডে) পর্বত ও নর্মদার জলস্রোতে
বিঘূর্ণন ও বিঘর্ষণে আমি লিঙ্গরূপে সতত নর্মদার জলে বিরাজমান থাকব। শত সহস্র
লিঙ্গের মধ্যে যেগুলির আকৃতি পাকা জাম বা হংস ডিম্বের মতো হবে, বর্ণ হবে পাকা জামের মতো
কিংবা মধুবর্ণ,
শ্বেত, নীল ও মরকতের মত
দ্যুতিসম্পন্ন সেইগুলিকেই বাণলিঙ্গ বলে জানবে”। পুরাণের কাহিনী থেকে জানা যায়, নর্মদার তীরেই ছিল
বলিরাজার পুত্র বাণাসুরের সাম্রাজ্য। সাতপুরা পর্বতের শিখরদেশে ছিল তাঁর রাজধানী”।
(প্রথম খণ্ড,
পৃঃ
৯১)।
পরবর্তী কালে এই লিঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল যোনি, যাকে গৌরীপাট বা গৌরীপট্ট
বলে। উদ্দেশ্য একই ভগবান শিব ও ভগবতী গৌরীর ঐশী মিলনে ভক্তদের গোলা ভরে উঠুক শস্যে, ঘরের উঠোনে খেলে বেড়াক
সুস্থ সন্তানেরা। গোয়ালে বেড়ে উঠুক সবৎসা গাভী। প্রজনন মানেই সুখ, সম্পদ ও সমৃদ্ধি। ভগবান
শিবের মন্দিরের মধ্যে সব থেকে পবিত্র মনে করা হয় দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির। আজও
হিন্দুদের মধ্যে এই দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের তীর্থদর্শন খুবই পুণ্যকর্ম বলে মনে করা
হয়। এই বারোটি মন্দিরের অবস্থান, সোমনাথ (গুজরাট), মল্লিকার্জুন (অন্ধ্র), মহাকালেশ্বর (উজ্জয়নী), ওঙ্কারেশ্বর (মধ্যপ্রদেশ), কেদারনাথ (উত্তরাখণ্ড), ত্র্যম্বকেশ্বর
(মহারাষ্ট্র),
রামনাথস্বামী
(তামিলনাড়ু),
কাশী
বিশ্বনাথ (উত্তরপ্রদেশ), ইলোরার ঘুস্মেশ্বর (মহারাষ্ট্র), বৈদ্যনাথ (ঝাড়খণ্ড), দ্বারকার নাগেশ্বর
(গুজরাট),
ভীমশংকর
(মহারাষ্ট্র)।
দক্ষিণ ভারতে শিবের নটরাজ মূর্তি পূজার বহুল প্রচলন আছে। দক্ষিণ ভারতীয়
শিবভক্তদের বিশ্বাস, মহাদেবের
হিমালয়ে কৈলাস পর্বতের আবাস ছাড়াও দক্ষিণ ভারতেও তাঁর আবাস আছে। সেটি হল চিদম্বরম
মন্দির বা তিল্লই মন্দির – পুদিচ্চেরি থেকে প্রায় আশি কিলোমিটার দক্ষিণে, সমুদ্র উপকূলের কাছে।
চিদম্বরম (চিৎ+অম্বরম) শব্দের অর্থ মনের আকাশ বা চেতনার আকাশ, দক্ষিণ ভারতের
মন্দিরগুলির মধ্যে স্থাপত্য সৌন্দর্যে এই মন্দির অন্যতম প্রধান। এখানে মহাদেবের
নটরাজ মূর্তি পূজিত হয়। এই মন্দিরের দেওয়ালে নটরাজের যে ১০৮টি নৃত্যভঙ্গি খোদিত
আছে, সেগুলির বর্ণনা ভরতমুনির
নাট্যশাস্ত্রে পাওয়া যায়। এই ভঙ্গীগুলি থেকেই বিখ্যাত ভারতনাট্যম নৃত্যের
সৃষ্টি।
প্রাচীন অনার্য ভারতীয়দের পূজিত আরেকটি দেবমূর্তির নিদর্শন পাওয়া গেছে, সিন্ধুসভ্যতার
প্রত্নখননে। শিং-ওয়ালা মুকুট মাথায় এক দেবমূর্তি, যাঁর আশেপাশে বেশ কয়েকটি সজীব
প্রাণীর মোটিফ। অনুমান করা হয় ইনি ভগবান শিবের আদিম সংস্করণ, পশুপতিদেব। একটু অন্যরকম
পশুপতির মূর্তি পাওয়া গেছে প্রাচীন দক্ষিণ ভারতেও। সে মূর্তি চতুর্ভুজ, একহাতে বরাভয় বা আশীর্বাদ, অন্য হাত মুক্ত যেন
বরদানে উদ্যত,
তৃতীয় হাতে
একটি কুঠার আর চতুর্থ হাত থেকে লাফিয়ে উঠছে ছোট্ট একটি হরিণশাবক।
[1] শব্দকোষে
মার্জ্জালীয় শব্দের অর্থ বলছে, ১. মার্জ্জার, ২. কিরাত বা শুদ্ধদেহ, ৩. শূদ্র। (মহাদেব কী তাহলে শূদ্র
কিরাতের ছদ্মবেশে নয়, নিজের
স্বাভাবিক বেশেই অর্জুনের সঙ্গে লড়াই করলেন? তা না হলে, অর্জুন তাঁকে সাক্ষাৎ
মহাদেব জেনেও,
তাঁর কিরাত
বা শূদ্র রূপেরও সম্বর্ধনা করলেন কেন?
পরের পর্ব - "ধর্মাধর্ম - ৫/১৭"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন