সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

শুধু _তুই .কম - পর্ব ২৮

 প্রথম  ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব  - " সুরক্ষিতা - পর্ব ১ " 

দ্বিতীয়  ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " এক যে ছিলেন রাজা - ১ম পর্ব "

তৃতীয়  ধারাবাহিক উপন্যসের শুরু - " বিপ্লবের আগুন - পর্ব ১ "

চতুর্থ ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব  - " শুধু _তুই .কম - পর্ব ১ " 

পঞ্চম ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " স্বদেশী ডাকাত - পর্ব ১ "

সম্পূর্ণ  উপন্যাস - " এক দুগুণে শূণ্য ";  "অচিনপুরের বালাই" ; " সৌদামিনীর ঘরে ফেরা "



এর আগের পর্ব - "শুধু _তুই .কম - পর্ব ২৭"


২৮

সুনুদা,

এপ্রিলের সেই তারিখটা আমার আজও মনে আছে। বাম্বাইকে স্কুলে ছেড়ে দিয়ে এসে, গাড়িতে চড়ে যখন এনজিপি স্টেশনের দিকে রওনা হলাম, এতটুকু কান্না পায়নি, জানো? বুকের ভেতরে শুধু অনুভব করেছিলাম, ধূ ধূ মরু প্রান্তর। সীমাহীন শূণ্যতা – নির্জনে আমি একা – কেউ রইল না আমার কাছাকাছি। হয়তো এক বুক কাঁদতে পারলে কিছুটা হাল্কা হতাম। কতদিন ছোট-বড়ো নানান ঘটনায় কতবার চোখের জল ফেলেছি। সেদিন মনে হয়েছিল, তুচ্ছ কারণে অপচয় হয়ে যাওয়া সেই সব অশ্রু, আমাকে নিঃশেষ করে দিয়েছে বোধ হয়। সেই কারণেই আজ বাম্বাইকে ছেড়ে এসে, বুকের ভেতরে যখন তপ্ত বালুর ঝড়, তখন একবিন্দু অশ্রুও ঝরল না।

গাড়িতে পাশে বসে শশাঙ্ক বেশ কয়েকবার বলেছিল, “মন খারাপ করবেন না, সুকন্যা। ছেলের মঙ্গলের জন্যে মা হয়ে যা করেছেন, ঠিকই করেছেন। দেখবেন সুধন্বা একদিন অনেক বড়ো হবে, সফল হবে। সেদিন ছেলের গর্বে আপনি খুশি হবেন খুব। তার জন্যে আজকের এইটুকু ত্যাগের কষ্ট তো আপনাকে মেনে নিতেই হবে। মনকে শক্ত করতেই হবে”।

ভবিষ্যতের কথা কে জানে, সুনুদা? বর্তমানকে পাশে সরিয়ে রেখে, ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা কত কী না করি। আমিও আজ যেমন করলাম। ভবিষ্যতে কী হবে কিছুই জানি না, কিন্তু সেদিনের বর্তমানটা আমার কাছে অসহ্য হয়ে উঠেছিল।

মনে আছে সারাটা রাস্তা – সেই কার্সিয়াং থেকে কলকাতা – একটা কথাও বলিনি। শশাঙ্ক যখন আমাকে বাড়িতে নামিয়ে দিল, আমি খুব শান্ত কণ্ঠে শশাঙ্ককে বলতে পেরেছিলাম, “কিছুই ভালো লাগছে না শশাঙ্কবাবু, মনটা একদম ভালো নেই...। কালকে অফিসে কথা হবে”।

শশাঙ্ক গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যেতে আমি বাড়ির কলিং বেল দেওয়ার একটু পরেই মা দরজা খুললেন। মায়ের মুখ ভয়ংকর গম্ভীর। বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতে মাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘বাবা, কেমন আছে মা?”

“ভালই আছে। তুমি তো আমাদেরই শান্তির জন্যে বাম্বাইকে বাড়ি ছাড়া করলে। ভালো না থেকে আমাদের আর উপায় কি? আর শান্তি মানে যে শাস্তি পাওয়া – সে এই বুড়ো বয়সে এসে তোমার থেকেই জানলাম, মা”।

মায়ের এই অবুঝ বিরক্তি এবং শ্লেষে আমি যে কতখানি আঘাত পেলাম, সেটা মা বুঝলেন না। বোঝার চেষ্টাও করলেন না। অবশ্য মাকে দোষই বা দিই কেন? বাবার চরম অসুস্থতা তাঁকে দুশ্চিন্তার শেষ সীমায় পৌঁছে দিয়েছে। তার ওপর আমার মতো মেয়ে, দুজনে মিলে একসঙ্গে যাকে আদরে-যত্নে মানুষ করে তুলেছেন ভেবে বড়ো আনন্দে ছিলেন। সেই মেয়ে যে একের পর এক অঘটন ঘটিয়ে, আমৃত্যু তাঁদের ঘাড়ে বোঝা হয়েই থেকে যাবে, সে কথা তাঁরা ভুলে যাবেন কী করে? সব মিলিয়ে সে সময় মা কেমন যেন নিষ্ঠুর, রুক্ষ হয়ে উঠেছিলেন।          

 মায়ের কথার উত্তর দেওয়া অর্থহীন, তাই দিলাম না। নিজের ঘরে ব্যাগ আর স্যুটকেশ রেখে এসে আমি বাবার কাছে গেলাম, জিজ্ঞেস করলাম, “কেমন আছো, বাবা?”  বাবা কোন উত্তর দিলেন না, বড়ো বড়ো চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন আমার মুখের দিকে। তারপর চোখ নামিয়ে ডান হাতটা রাখলেন, আমার হাতে। বাবার হাতের সেই স্পর্শ আমার দু চোখে এনে দিল রুদ্ধ অশ্রুর বন্যা। মাথা নীচু করে বাবার হাতের ওপর আমার বাঁহাতটা রাখলাম। একটা কথাও না বলে, বাবা যে ভাবে সেদিন আমার প্রতি তাঁর সহমর্মীতা প্রকাশ করেছিলেন – সেকথা মনে পড়লে আজও আমার শরীরে আশ্চর্য এক শিহরণ জাগে। বিশ্বাস কর, সেদিনের কথা তোমাকে এই যে লিখছি, চোখে জল ভরে এসেছে... ঝাপসা হয়ে আসছে ল্যাপটপের পর্দা, কিবোর্ডের অক্ষর বিন্যাস...।

আসলে নিজের পারিবারিক বৃত্তের মধ্যেও একজন সুস্থ-সবল মানুষের কিছুতেই অহং যায় না। সে তার সন্তানের প্রতিই হোক, অথবা দাম্পত্যে, কিংবা বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি কর্তব্যে। এমনকি সান্ত্বনা দেওয়ার সময়েও কথার আড়ালে ফুটে ওঠে তাদের সরব আত্মাভিমান। কিন্তু শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত একজন পরনির্ভরশীল মানুষই, সমস্ত অহংকার মুছে ফেলে সঠিক অন্তর্দৃষ্টির সন্ধান পায়। নিকট জনের মর্মবেদনার কথা সে টের পায় নিজের মনের গভীরে। সমবেদনায় ব্যকুল হয়ে ওঠে তার মন, কিন্তু সেকথা সে সাজিয়ে-গুছিয়ে ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। আমার বাবার ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই ঘটেছিল বলেই আমার মনে হয়। আর সেই সময় বাবাই আমার কাছে হয়ে উঠেছিলেন ছায়াময় বিশাল এক বটবৃক্ষ। তিনি মুখে তেমন কিছু বলতে না পারলেও, তাঁর পাশটিতে গিয়ে কিছুক্ষণ বসলেই মনের মধ্যে অনুভব করতাম তাঁর স্নেহ মাখা আশীর্বাদ।

আরেকজনের কথাও না বললেই নয়, মামিমা। মামারও তখন শরীর বেশ খারাপ – কিছু না কিছু অসুস্থতা তাঁর লেগেই ছিল - হাই ব্লাড প্রেসার, সুগার…সে সব তো আমার থেকে তুমিই ভালো জানো। আমি আর তোমাকে কী বলব? কিন্তু সেই সব কিছু সামলে কী আশ্চর্য ধীর-স্থিরই না তিনি থাকতে পারতেন! আবার সুযোগ পেলেই আমাদের বাড়ি চলে আসতেন, ঘন্টা দুই-তিনের জন্যে। মামিমাকে পেলেই মা আমার প্রতি তাঁর অনুযোগের ঝুলি খুলে উজাড় করে দিতেন। মামিমা শান্ত হয়ে অসীম ধৈর্যে সেসব শুনতেন – দু একটা মন্তব্য করতেন। সংসারের সারাদিনের উদ্বেগের বাষ্পে মায়ের মস্তিষ্কটি সেসময় যেন প্রেসার কুকার হয়ে উঠত। আর সেই প্রেসারটাকে রিলিজ করে মনকে একটু হাল্কা করার মানুষ ছিল তাঁর আদরের নাতিটি। কিন্তু তাকেও যখন আমি তাঁর অমতে বাড়ি ছাড়া করলাম, আমার ওপর তাঁর ক্ষোভ বাড়ল। এবং মনের কথা বলার জন্যে একমাত্র মানুষ রইলেন তোমার মা। মামিমা সেটা বুঝতেন, তাই প্রায় প্রতিদিন না হলেও প্রায়ই চলে আসতেন দুপুরের দিকে। মায়ের সঙ্গে হাতে হাতে টুকটাক নানান কাজ সারতে সারতে, তিনি মায়ের কথা শুনতেন অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে।

আমিও সে সময় কম উদ্বেগে ছিলাম না। বাম্বাইকে একার সিদ্ধান্তেই কার্সিয়াং পাঠয়েছিলাম। এই সিদ্ধান্ত বাম্বাইয়ের পক্ষে ভালো হবে না মন্দ হবে, সে কথা তখন ভবিষ্যতের অন্ধকারে। যদি ভাল হয়, আমার মতো খুশি আর কেউ হবে না, কিন্তু মন্দ হলে বাম্বাইয়ের সঙ্গে আমার জীবনটাও যে নিঃশেষ হয়ে যাবে, সেটা নিশ্চিত ভাবেই জানতাম। এবং সেই দায় হবে পূর্ণতঃ আমারই।

দিনের অনেকটা সময় এই উদ্বেগ থেকে আমাকে মুক্তি দিত – আমার অফিস, আমার কাজ। কিন্তু দিনের শেষে ঘরে ফেরার কথা মনে হলেই, নিজেকে খুব ক্লান্ত আর একা মনে হত। আমি বাড়িতে ঢোকা মাত্র আমাকে শুনিয়ে শুনিয়ে মায়ের একঘেয়ে অবিরাম অভিযোগের গজগজানি কানে আসত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এবং পরদিন সকালে। রোববার আর অফিসের ছুটির দিনগুলোতে বাড়িতে বসে থাকাটা আমার কাছে হয়ে উঠেছিল বিভীষিকা। ওই দিনগুলোতে তাই মাঝেমাঝেই মাকে মিথ্যে বলতাম। প্রচুর কাজ আছে, ছুটির দিনেও অফিস যেতে হবে বলে, আমি মামিমার কাছে সারাটা দিনে কাটিয়ে আসতাম। মামিমা আমার করুণ অবস্থাটা খুব ভালো ভাবেই বুঝতেন। তিনি কোনদিন মুখ ফস্কেও মাকে বলে ফেলেননি, “এই তো গত রোববার সুনু আমার কাছে গিয়েছিল”, কিংবা “ছাব্বিশে জানুয়ারির ছুটিতে একটা গাড়ি ভাড়া করে সুনু আমাদের দক্ষিণেশ্বর নিয়ে গেল”। বললে, কী যে ভয়ানক কাণ্ড হত, সে কথা ভাবলে আজও ভয় লাগে।

ওই সময় একমাত্র মামিমার কাছেই নিজের মনের কথা বলার সুযোগ পেতাম। বলা ভালো, মামিমাই আমার পেট থেকে অনেক কথা টুকটুক করে বের করে নিতে পারতেন।

বাম্বাইকে কার্সিয়াংয়ে রেখে এসে পরের রোববারেই মামিমার কাছে গিয়েছিলাম। দরজা খুলে আমাকে ভেতরে নিয়ে বললেন, “হ্যারে স্কুলে ভর্তি-টর্তি সব নির্বিঘ্নে হয়েছে তো? বাম্বাই খুব বেশি কান্নাকাটি বা মন খারাপ করেনি তো?”

“না গো, কান্নাকাটি একদমই করেনি। মন খারাপ তো একটু হবেই, তবে মনে হয় নতুন পরিবেশে ও মানিয়ে নেবে”।

“আর তুই?”

মামিমার এই প্রশ্নে, আমি হেসে ফেলেছিলাম। আর অনেকদিন পর আমি হাসতে পেরে, আমার মনটা যেন তুলোর মতো হাল্কা হয়ে উঠল। বললাম, “আমিও কাঁদিনি, একটুও না। তবে ওকে ছেড়ে আসার পর সারাক্ষণ মন খারাপ করেছিলাম”।

“ও কিছু না, মন খারাপ তো হবেই। ওইটুকু ছেলেকে কাছ-ছাড়া করা কি চাট্টিখানি কথা? তা হ্যারে, তোকে তো এখন মাঝে মাঝেই কার্সিয়াং যেতে হবে”।

“না গো মামিমা, সে গুড়ে বালি। স্কুল থেকে বলে দিয়েছে, আগামী তিন মাস বাড়ি থেকে কেউ গিয়ে দেখা করতে পারবে না”।

“ও মা, সে কি রে? তাহলে এই তিন মাসে ওর কোন খবরই পাবি না? কেমন আছে, কি খাচ্ছে। রাতে একলা একলা ঘুম হচ্ছে কি না, ভয় পাচ্ছে কি না – কিচ্ছু জানতে দেবে না”?

আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিলাম, “না তা নয়, আমি ওদের স্কুলে ফোন করতে পারি। ওদের হস্টেলের যে ফ্লোর সুপারভাইজার আছে, তাকেও মাঝে মাঝে ফোন করে বাম্বাইয়ের সঙ্গে কথাও বলতে পারি। তাছাড়া বাম্বাই ও আমি চিঠিও লিখতে পারি। বাড়ির ঠিকানা লিখে আমি বাম্বাইকে তিরিশখানা পোস্টকার্ড দিয়ে এসেছি। বলেছি সপ্তাহে অন্ততঃ একটা করে চিঠি যেন লেখে”।

“হুঁঃ ওইটুকু ছেলে আবার চিঠি লিখবে কী রে? সে যাগ্‌গে, ও নিয়ে মন খারাপ করে থাকিস না। খুব কঠিন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিস – তোদের মা-বেটা দুজনকেই অনেক কষ্ট সহ্য করতে হবে। আর চার-পাঁচটা বছর কিছুই নয়, দেখতে দেখতে কেটে যাবে। বাম্বাই তার মায়ের কাছে ফিরে আসবে মানুষের মতো মানুষ হয়ে। কথাটা আজ আমি তোকে বলে রাখলাম, পরে মিলিয়ে নিস”। একটু থেমে আবার বললেন, “এখানকার স্কুলে ওর একটুও মন বসছিল না, সুনু। বেচারা বড়ো মনোকষ্টে ছিল”।

“কেন বলো তো? বাম্বাই তোমাকে কিছু বলেছিল?”

“ধুস্‌ ওইটুকু ছেলে আবার বলবে কি? ওদের স্কুল নিয়ে, ওর ক্লাসের সহপাঠীদের নিয়ে অনেক কথাই বলেছে আমাকে... তার থেকেই আমি আন্দাজ করেছি। ওর সঙ্গে তেমন কেউ মিশত না, খেলতেও ডাকত না। টিফিনের সময় ভাগাভাগি করে কেউ টিফিনও খেত না ওর সঙ্গে”।

আমি অবাক হলাম বেশ, আমার ধারণা ছিল দিদিমার সঙ্গে বাম্বাই অনেক কথা বলে, কিন্তু মা আমাকে এরকম কোনদিন বলেননি তো? মামিমাই বা আমায় আগে কেন বলেননি?

আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “তুমি আমাকে আগে বলনি কেন?”

“পাগল হয়েছিস? তোর মা আমাকে আস্তো রাখতো তাহলে? তোর মাও কিছু কিছু জানত, এ নিয়ে কিছু বলতে গেলে বলত, ও কিছু না, ছেলেমানুষী খেয়াল। একটু বড়ো হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে আমি বুঝি কারণটা কি। তোদের পাড়ার কাছাকাছি ওই স্কুলটাতে, তোদের পাড়ার ছেলেপিলেদের অনেকেই পড়ত। তোর ডিভোর্সের খবর তাদেরই মুখে মুখে ছড়িয়ে গিয়েছিল স্কুলের সকল সহপাঠীদের মধ্যে। সেটা বাম্বাইসোনাও বুঝত – কাউকে কিছু খুলে বলত না। কিন্তু মন খারাপ করে থাকত সর্বদা।

তোর থেকেই শুনেছি, কার্সিয়াংয়ের এই স্কুলে নানান জায়গা থেকে অনেক ছেলেমেয়ে পড়তে আসে। তাদের মনের মধ্যে তাদের বাবা-মা, পাড়া-প্রতিবেশীরা কোন বিষবীজ বপন করতে পারেননি। অতএব বাম্বাই সোনার সঙ্গে প্রথম আলাপেই তারা বন্ধু হয়ে উঠবে – এ আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি”।

অনেক রাত হয়ে গেল, আজ এখানেই শেষ করি। তবে শেষ করার আগে বলি, মামিমার সেই ভবিষ্য-কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছিল। তিনি আজ আমাদের মধ্যে আর নেই, কিন্তু তাঁর প্রতি সকল কৃতজ্ঞতা আমি সমর্পণ করলাম তাঁর পুত্র, আমার সুনুদাকে।

তোমার ক।।

চলবে...




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নতুন পোস্টগুলি

শুধু _তুই .কম - পর্ব ২৮

 প্রথম   ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব  - " সুরক্ষিতা - পর্ব ১ "  দ্বিতীয়  ধারাবাহিক উপন্যাসের প্রথম পর্ব - " এক যে ছিলেন র...